Preventing Poppy Farming: রমরমিয়ে অবৈধ পোস্ত চাষ! ট্র্যাক্টর দিয়ে ১০০ বিঘা চোরাগোপ্তা জমি সাফ করল আবগারি দফতর

TV9 Bangla Digital | Edited By: tista roychowdhury

Feb 07, 2022 | 4:03 PM

Bankura: জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, চরমানা চারিদিক দিয়ে দামোদর নদের জলস্রোত দ্বারা ঘেরা থাকায় ওই এলাকায় পুলিশ ও আবগারি দফতরের নজরদারি বেশ কষ্টসাধ্য।

Follow Us

বাঁকুড়া: বিধিসম্মত হুঁশিয়ারি আছে। প্রচারও চলে, আলোচনাসভা হয়। ধরা পড়লে গ্রহণ করা হয় আইনি ব্যবস্থা। এত সব সত্ত্বেও জঙ্গলের আড়ালে-আবডালে পোস্ত চাষ চলছেই। সেই চোরাগোপ্তা  পোস্ত চাষের (Poppy Farming) বিঘার পর বিঘা জমি এ  বার ট্র্যাক্টর দিয়ে সাফ করে দিল আবগারি দফতর। বাঁকুড়া জেলার মেজিয়া থানার অন্তর্গত বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে দামোদর নদের চর। স্থানীয়ভাবে যার নাম চরমানা। এই চরমানাই অবৈধ পোস্ত কারবারিদের মুক্তাঞ্চল হিসাবে পরিচিত। চর মানার জমি কোনো ব্যক্তি মালিকানাধীন না হওয়ায় এই জায়গায় পোস্ত চাষ করলে চাষীদের চিহ্নিতকরণ কঠিন। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বছরের পর বছর ধরে বিঘের পর বিঘে জমিতে পোস্ত চাষ করে আসছেন একদল অসাধু কারবারি।

সোমবার  সকাল থেকে দামোদরের বিস্তীর্ণ খাস এলাকায় ট্রাক্টর চালিয়ে মাড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েক শত একর জমিতে অবৈধ ভাবে চাষ করা পোস্ত গাছ। আবগারি দপ্তরের পাশাপাশি এদিন মেজিয়া ব্লক প্রশাসন ও মেজিয়া থানার পুলিশ সমান ভাবে এই অভিযানে সামিল হয় । এই কারবারে আন্ত রাজ্য মাদক চক্র জড়িয়ে আছে কী না তাও খতিয়ে দেখছে জেলা আবগারি দপ্তর।

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, চরমানা চারিদিক দিয়ে দামোদর নদের জলস্রোত দ্বারা ঘেরা থাকায় ওই এলাকায় পুলিশ ও আবগারি দফতরের নজরদারি বেশ কষ্টসাধ্য। স্বাভাবিক ভাবেই এই বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো চরমানা হয়ে উঠেছে পোস্ত ও আফিম কারবারিদের মুক্তাঞ্চল। সেই অবৈধ পোস্ত চাষ রুখতে এবার বড়োসড়ো পদক্ষেপ নিয়েছে বাঁকুড়া জেলা আবগারি দফতর। আগেই চর মানা এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে গোটা এলাকায় নজরদারি চালান আবগারি দফতরের আধিকারিকরা।

পুলিশি সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে ড্রোন মারফত নজরদারি চালিয়ে দামোদর নদের পারে অন্তত দু’জায়গায় পোস্ত চাষের সন্ধান পায় সিআইডি-র নার্কোটিক্স শাখা। প্রায় ২০ একর জমি জুড়ে চলছিল সেই পোস্ত চাষ। ড্রোন ছাড়াও উপগ্রহের পাঠানো ছবি সংগ্রহ করে রাজ্যে পোস্ত চাষে নজর রাখছে সিআইডি। এই কাজে নার্কোটিক্স কন্ট্রোল বুরো (এনসিবি)-র সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
বাঁকুড়া ছাড়াও অন্যান্য  জেলাতেও মাদক চাষের বিরুদ্ধে আলাদা ভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। সিআইডি সূত্রের খবর, কোথাও এরকম কোনও ছবি ধরা পড়লেই আবগারি দফতর ও পুলিশ একযোগে তার বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।

লাইসেন্স ছাড়া পোস্ত চাষ নিষিদ্ধ। অভিযোগ, কোচবিহার, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহের মতো জেলায় এখন লুকিয়ে পোস্ত চাষ হচ্ছে। মূলত নভেম্বরের গোড়ায় ওই চাষ শুরু হয়। প্রশাসন সূত্রের খবর, ওই চাষ বন্ধের জন্য মাইকে প্রচার থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের মাধ্যমে চাষিদের সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু, সেকথা শুনছে কে!

এক-এক বার ড্রোন পাঠিয়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। সকল নজরদারি এড়িয়েও রমরমিয়ে চলছে পোস্ত চাষ।  গত মার্চেও ড্রোন উড়িয়ে বাঁকুড়ার মেজিয়ায় পোস্ত চাষের সন্ধান মিলেছিল। সেই খেত নষ্ট করার পরে এ-পর্যন্ত পোস্ত চাষের সন্ধান মেলেনি। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি, এই তিন মাসে পোস্ত চাষ করা হয়। মূলত সীমান্তবর্তী নির্জন এলাকাগুলিকেই পোস্ত চাষের জন্য বেছে নেয় অসাধু কারবারিরা।  পোস্ত গাছের ফল আফিমের উৎস, তাই যত্রতত্র পোস্ত চাষ করা যায় না। আবগারি দফতর জানিয়েছে,  ড্রোনের মাধ্যমে পোস্তের সাদা সাদা ফুল খুঁজে পাওয়া যায়।

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

 

বাঁকুড়া: বিধিসম্মত হুঁশিয়ারি আছে। প্রচারও চলে, আলোচনাসভা হয়। ধরা পড়লে গ্রহণ করা হয় আইনি ব্যবস্থা। এত সব সত্ত্বেও জঙ্গলের আড়ালে-আবডালে পোস্ত চাষ চলছেই। সেই চোরাগোপ্তা  পোস্ত চাষের (Poppy Farming) বিঘার পর বিঘা জমি এ  বার ট্র্যাক্টর দিয়ে সাফ করে দিল আবগারি দফতর। বাঁকুড়া জেলার মেজিয়া থানার অন্তর্গত বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে দামোদর নদের চর। স্থানীয়ভাবে যার নাম চরমানা। এই চরমানাই অবৈধ পোস্ত কারবারিদের মুক্তাঞ্চল হিসাবে পরিচিত। চর মানার জমি কোনো ব্যক্তি মালিকানাধীন না হওয়ায় এই জায়গায় পোস্ত চাষ করলে চাষীদের চিহ্নিতকরণ কঠিন। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বছরের পর বছর ধরে বিঘের পর বিঘে জমিতে পোস্ত চাষ করে আসছেন একদল অসাধু কারবারি।

সোমবার  সকাল থেকে দামোদরের বিস্তীর্ণ খাস এলাকায় ট্রাক্টর চালিয়ে মাড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েক শত একর জমিতে অবৈধ ভাবে চাষ করা পোস্ত গাছ। আবগারি দপ্তরের পাশাপাশি এদিন মেজিয়া ব্লক প্রশাসন ও মেজিয়া থানার পুলিশ সমান ভাবে এই অভিযানে সামিল হয় । এই কারবারে আন্ত রাজ্য মাদক চক্র জড়িয়ে আছে কী না তাও খতিয়ে দেখছে জেলা আবগারি দপ্তর।

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, চরমানা চারিদিক দিয়ে দামোদর নদের জলস্রোত দ্বারা ঘেরা থাকায় ওই এলাকায় পুলিশ ও আবগারি দফতরের নজরদারি বেশ কষ্টসাধ্য। স্বাভাবিক ভাবেই এই বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো চরমানা হয়ে উঠেছে পোস্ত ও আফিম কারবারিদের মুক্তাঞ্চল। সেই অবৈধ পোস্ত চাষ রুখতে এবার বড়োসড়ো পদক্ষেপ নিয়েছে বাঁকুড়া জেলা আবগারি দফতর। আগেই চর মানা এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে গোটা এলাকায় নজরদারি চালান আবগারি দফতরের আধিকারিকরা।

পুলিশি সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে ড্রোন মারফত নজরদারি চালিয়ে দামোদর নদের পারে অন্তত দু’জায়গায় পোস্ত চাষের সন্ধান পায় সিআইডি-র নার্কোটিক্স শাখা। প্রায় ২০ একর জমি জুড়ে চলছিল সেই পোস্ত চাষ। ড্রোন ছাড়াও উপগ্রহের পাঠানো ছবি সংগ্রহ করে রাজ্যে পোস্ত চাষে নজর রাখছে সিআইডি। এই কাজে নার্কোটিক্স কন্ট্রোল বুরো (এনসিবি)-র সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
বাঁকুড়া ছাড়াও অন্যান্য  জেলাতেও মাদক চাষের বিরুদ্ধে আলাদা ভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। সিআইডি সূত্রের খবর, কোথাও এরকম কোনও ছবি ধরা পড়লেই আবগারি দফতর ও পুলিশ একযোগে তার বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।

লাইসেন্স ছাড়া পোস্ত চাষ নিষিদ্ধ। অভিযোগ, কোচবিহার, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহের মতো জেলায় এখন লুকিয়ে পোস্ত চাষ হচ্ছে। মূলত নভেম্বরের গোড়ায় ওই চাষ শুরু হয়। প্রশাসন সূত্রের খবর, ওই চাষ বন্ধের জন্য মাইকে প্রচার থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের মাধ্যমে চাষিদের সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু, সেকথা শুনছে কে!

এক-এক বার ড্রোন পাঠিয়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। সকল নজরদারি এড়িয়েও রমরমিয়ে চলছে পোস্ত চাষ।  গত মার্চেও ড্রোন উড়িয়ে বাঁকুড়ার মেজিয়ায় পোস্ত চাষের সন্ধান মিলেছিল। সেই খেত নষ্ট করার পরে এ-পর্যন্ত পোস্ত চাষের সন্ধান মেলেনি। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি, এই তিন মাসে পোস্ত চাষ করা হয়। মূলত সীমান্তবর্তী নির্জন এলাকাগুলিকেই পোস্ত চাষের জন্য বেছে নেয় অসাধু কারবারিরা।  পোস্ত গাছের ফল আফিমের উৎস, তাই যত্রতত্র পোস্ত চাষ করা যায় না। আবগারি দফতর জানিয়েছে,  ড্রোনের মাধ্যমে পোস্তের সাদা সাদা ফুল খুঁজে পাওয়া যায়।

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা 

 

Next Article