Civic Volunteers: ‘আর্মির পোশাক কেন পরবে সিভিক ভলান্টিয়ররা?’ বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ
Soumitra Khan: কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়রদের পোশাক দেখে সৌমিত্র খাঁ অভিযোগ করেন, তাঁদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর মতো পোশাক পরানো হয়েছে, যা একেবারেই অনুচিত। যদিও সিভিক ভলান্টিয়রদের কাজের প্রশংসাও করেন তিনি। যদিও তারপরেও বলেন, সিভিকরা দেখছি আর্মির ড্রেস পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

পূর্ব বর্ধমান: সিভিক ভলান্টিয়ারদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পরিয়ে ডিউটি করানো হচ্ছে! গুরুতর অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শনিবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট ব্লকের কাশেমনগর গ্রামে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি সেরে ফেরার পথেই এই মন্তব্য করেন তিনি। স্বভাবতই তাঁর এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
শনিবার সন্ধ্যায় মঙ্গলকোটের কাশেমনগরে ছিল ‘পরিবর্তন সভা’। সেই সভা শেষ করেই ফিরছিলেন সৌমিত্র। ফেরার পথে সরুলিয়া এলাকার একটি হিমঘরের সামনে আলু বোঝাই ট্রাক্টরের ভিড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সাংসদ ও অন্যান্য বিজেপি নেতাকর্মীদের গাড়ি সেই যানজটে আটকে পড়ে। যদিও ততক্ষণে যানজট নিয়ন্ত্রণে নেমে পড়েছে বেশ কিছু সিভিক ভলান্টিয়র।
তখনই কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়রদের পোশাক দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাংসদ। অভিযোগ, তাঁদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর মতো পোশাক পরানো হয়েছে, যা একেবারেই অনুচিত। যদিও সিভিক ভলান্টিয়রদের কাজের প্রশংসাও করেন তিনি। যদিও তারপরেও বলেন, সিভিকরা দেখছি আর্মির ড্রেস পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা একটু চিন্তার বিষয়। কিন্তু ছেলেরা ভাল কাজ করছে। তারপরেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক কেন পরবে?
তবে সৌমিত্র খাঁ-কে পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম সাংসদকে বিঁধে বলেন, “ওনার মনে হয় মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে, তাই এমন উল্টোপাল্টা কথা বলছেন। সিভিক ভলান্টিয়াররা তাঁদের নির্দিষ্ট পোশাকই পরেন। তাঁরা কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পরবেন? রাজনৈতিক চাপে পড়েই উনি এসব ভুল বকছেন। আসলে দল বড় দায়িত্ব দিয়েছে তো। চাপে পড়ে এসব বকছেন।”
