SIR in Bengal: কোচবিহারে বিএলও-র আকস্মিক মৃত্যু! তৃণমূল কাঠগড়ায় তুলছে SIR-কেই, মানতে নারাজ বিজেপি
BLO Death: বিজেপি নেতা অভিজিৎ বর্মন বলছেন, “যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। কিন্তু এসআইআর-এর চাপে মৃত্যু বলে যেটা দাবি করা হচ্ছে সেটা ভিত্তিহীন বলেই আমার মনে হচ্ছে। অস্বাভাবিকভাবে অনেকেরই তো মৃত্যু হচ্ছে। এখন এসআইআর জুড়ে দাবি তোলা যেতেই পারে। কিন্তু, এসআইআরের প্রথম পর্বের কাজ তো শেষ হয়ে গিয়েছে।”

কোচবিহার: কোচবিহারে বিএলও-র আকস্মিক মৃত্যু! তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক তরজা। শাসকদলের নেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণেই মৃত্যু হয়েছে আশিস ধর নামে ওই বিএলও-র। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ বিজেপি। মৃতের পরিবার অবশ্য এ ক্ষেত্রে সাবধানী অবস্থান নিয়েছে। আশিস ধরের ভাই বলছেন, কাজের চাপ ছিল ঠিকই। কিন্তু একক ভাবে সেটিকেই মৃত্যুর কারণ বলা যায় কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন তিনি। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে এলাকায়। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
কোচবিহারের ইছামারি বানেশ্বরের ১০৩ নম্বর বুথের বিএলও হিসাবে কাজ করছিলেন আশিসবাবু। তৃণমূল নেতা তথা দলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলছেন, এসআইআর নিয়ে খুবই চিন্তায় ছিলেন। কাজের চাপও ছিল বেশ। সেই চাপ সামলাতে না পেরেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাতেই মৃত্যু। তবে তৃণমূলের এই দাবি মানতে নারাজ পদ্ম নেতা তথা দলের জেলা অভিজিৎ বর্মন। তিনি বলছেন, যে কোনও কারণে মৃত্যু হলেই তার সঙ্গে এখন এসআইআর জুড়ে দিচ্ছে তৃণমূল।
বিজেপি নেতা অভিজিৎ বর্মন বলছেন, “যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। কিন্তু এসআইআর-এর চাপে মৃত্যু বলে যেটা দাবি করা হচ্ছে সেটা ভিত্তিহীন বলেই আমার মনে হচ্ছে। অস্বাভাবিকভাবে অনেকেরই তো মৃত্যু হচ্ছে। এখন এসআইআর জুড়ে দাবি তোলা যেতেই পারে। কিন্তু, এসআইআরের প্রথম পর্বের কাজ তো শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন তো শুধু হিয়ারিং হচ্ছে। হিয়ারিংয়ে উনি ছাড়াও অন্য আধিকারিকরা থাকছেন। তাই বিএলও-র তো আলাদা করে চাপ থাকার কথা নয়। আর শাসকদল তো এখন যে কোনও কারণেই মৃত্যু হোক না কেন তার সঙ্গে এসআইআর জুড়ে দিচ্ছে।”
