Udayan Guha: ‘একজন ছিটমহলবাসীরও নাম যেন বাদ না যায়’, হুঙ্কার উদয়নের
Udayan Guha News: উদয়ন গুহ এ দিন বলেন, "২০১৫ সালে ছিটমহলবাসীরা নাগরিকত্ব পান। ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী অপশন দেওয়া হয়েছিল। এই সবটা ভারত সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে হয়েছিল। তাঁদের কারও নাম ২০০২ সালে থাকার কথা নয়। অথচ দেখা যাচ্ছে ছিটমহলে ৮৫ শতাংশ বিশেষ-বিশেষ মানুষের নাম বিচারাধীন। আবার ওই একই ছিটে ১০০-২০০ মানুষের নাম ভোটার লিস্টে আসছে। কেন হবে?"

কোচবিহার: তাঁর দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর ইস্যুতে আগেই দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় কেন নাম বাদ যাচ্ছে সেই নিয়ে বারেবারে মুখ খুলেছেন তিনি। আর এবার SIR ইস্যুতে মুখ খুললেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। ছিটমহলবাসীদের নাম কেন বাদ যাচ্ছে, কোন যুক্তিতে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে সেই নিয়েই সওয়াল করেন তিনি।
উদয়ন গুহ এ দিন বলেন, “২০১৫ সালে ছিটমহলবাসীরা নাগরিকত্ব পান। ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী অপশন দেওয়া হয়েছিল। এই সবটা ভারত সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে হয়েছিল। তাঁদের কারও নাম ২০০২ সালে থাকার কথা নয়। অথচ দেখা যাচ্ছে ছিটমহলে ৮৫ শতাংশ বিশেষ-বিশেষ মানুষের নাম বিচারাধীন। আবার ওই একই ছিটে ১০০-২০০ মানুষের নাম ভোটার লিস্টে আসছে। কেন হবে?” তাঁর আরও সংযোজন, “আমাদের এখানে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ভোটারের নাম বিচারধীন আছেন। ১৬ জন বিচারক কাজ করছেন। প্রতিদিন ২ হাজার নাম ক্লিয়ার করলেন এত কম সময় বিপুল নাম খতিয়ে দেখা সম্ভব নয়। বৈধ ভোটারদের অধিকার রক্ষা করতে হবে।”
উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, “সমস্যা সমাধান না হলে আগামী ১০ তারিখের পর পথে নেমে আন্দোলনের ডাক উদয়নের।” বস্তুত, এ দিন সন্ধ্যায় জেলাশাসক দফতরে আসেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ, তৃণমূল সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, জেলার তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকরা। জেলায় এতজনের নাম কীভাবে বাদ গেল সেই সংক্রান্তই বিভিন্ন কথা বলেন তিনি।
