Hooghly: ‘প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ওপর বিল, মাল টাকা নিয়ে পালিয়েছে’, বিজেপি কর্মীর ছবি পোস্ট করলেন বিজেপি নেতাই
Hooghly Fraud Case: জানা গিয়েছে, হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবসা রয়েছে।সেখানেই ২০২৪ সাল থেকে কাজ করতেন বিজেপি কর্মী শিবশঙ্কর কর্মকার। বিজেপি সভাপতির অভিযোগ, দলের কাজে ব্যাস্ত থাকার কারণে তিনি ব্যবসায় সব সময় নজর দিতে পারেন না। শিবশঙ্কর-সহ কয়েক জন কর্মী এতদিন তাঁর ব্যবসা দেখাশোনা করতেন।

হুগলি: ‘প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ওপর বিল, মাল টাকা নিয়ে গত মঙ্গলবার থেকে পালিয়েছে।’ দলেরই এক কর্মীর ছবি পোস্ট করলেন বিজেপি সভাপতি। আমজনতার কাছে খুঁজে দেওয়ার আবেদন জানালেন। থানাতেও করলেন অভিযোগ। বিজেপি নেতার পোস্ট ঘিরে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য হুগলিতে।
জানা গিয়েছে, হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবসা রয়েছে।সেখানেই ২০২৪ সাল থেকে কাজ করতেন বিজেপি কর্মী শিবশঙ্কর কর্মকার। বিজেপি সভাপতির অভিযোগ, দলের কাজে ব্যাস্ত থাকার কারণে তিনি ব্যবসায় সব সময় নজর দিতে পারেন না। শিবশঙ্কর-সহ কয়েক জন কর্মী এতদিন তাঁর ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। গত কয়েক মাস ধরে ওই কর্মী তাঁর দোকান থেকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিয়ে গিয়ে অন্য দোকানে সরবরাহ করছিলেন বলে অভিযোগ। কিন্তু তার কোনও টাকা দেননি।
বিজেপি নেতার অভিযোগ, প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকা লুঠ করে পালিয়েছেন শিবশঙ্কর। তাই সমাজ মাধ্যমে তাঁর ছবি দিয়ে তাঁকে খুঁজে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশে অভিযোগ করেছেন বিজেপি সভাপতি।
গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “দলের কর্মসূচিতে থাকতেন শিবশঙ্কর। একবার বুথ সভাপতিও হয়েছিল।এখন শুনছি আমার নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন লোককে প্রতারণা করেছে। আমি ওর উপযুক্ত শাস্তি চাই। ও আগে তৃণমূল করত, পরে বিজেপিতে আসে।”
আর এনিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। চুঁচুড়া পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তী বলেন, “বিজেপি চোর চিটিংবাজের দল। জেলা সভাপতি অনুচর সভাপতি টি২০ লক্ষ টাকা মেরে পালিয়ে গেছে। তাহলে বুঝুন ঠ্যালা।”
