AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: ‘মাছ খেতে’ পটু, রসিদের নাম স্রেফ একটাই ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশে, জানেন কেন?

Hooghly: মহম্মদ রসিদ এক বালতি জল খেয়ে ফেলেন অনায়াসে। তিনটে সিঙি মাছ গিলে আবার পেট থেকে বের করে দিতে পারেন। রঙিন জল খেয়ে আলাদা আলাদা ভাবে বের করে দেখান। পুরো খেলাটাই যোগ ব্যায়াম বলে জানান রসিদ। আদতে হুগলির পান্ডুয়ার বাসিন্দা। তেরো বছর বয়স থেকে খেলা দেখাচ্ছেন সার্কাসে।

Hooghly: 'মাছ খেতে' পটু, রসিদের নাম স্রেফ একটাই ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশে, জানেন কেন?
মহম্মদ রসিদImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 07, 2026 | 3:22 PM
Share

হুগলি:   জ্যান্ত সিঙি মাছ গিলে আবার বের করতে পারেন! উজবেকিস্তানের তাসখন্দে গিয়ে এই খেলা দেখিয়ে এসেছেন। পান্ডুয়ার রসিদ শীতের সার্কাসে লোক টানছেন।জানুয়ারিতে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। শীত মানেই মনে আসে নলেন গুড়, পিঠে পায়েস, জয়নগরের মোয়া চিড়িয়াখানা আর সার্কাস। স্বাস্থ্য সচেতন যাঁরা, তাঁরা পিঠে মিষ্টি খান ভেবে চিন্তে। তবে শীতে একটু ঘোরাঘুরি না করলেই নয়। এসময় বেশ একটা ছুটি ছুটি ভাব থাকে। তাই পরিবার নিয়ে অনেকেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন। আর যাঁরা যেতে পারেন না, তাঁরা বাড়ির কাছেই বিনোদন খুঁজে নেন। আর শীতের সেই বিনোদন যদি সার্কাস হয় তাহলে তো কথাই নেই।

ছোটোদের পছন্দের সার্কাস বড়রাও উপভোগ করেন। চুঁচুড়া বাঘাযতীন মাঠে বহু বছর পর সার্কাসের তাঁবু পড়েছে। একটা সময় ছিল, সার্কাসে বাঘ সিংহ হাতি গন্ডার শিম্পাঞ্জি দেখা যেত। এখন সেসব অতীত। এখন মূলত জিমনাস্টিকের খেলা দেখা যায় সার্কাসে।আর আছে যোগ ব্যায়ামের সাহায্যে জ্যান্ত সিঙি মাছ গিলে ফেলা! দেখেছেন এর আগে?

মহম্মদ রসিদ এক বালতি জল খেয়ে ফেলেন অনায়াসে। তিনটে সিঙি মাছ গিলে আবার পেট থেকে বের করে দিতে পারেন। রঙিন জল খেয়ে আলাদা আলাদা ভাবে বের করে দেখান। পুরো খেলাটাই যোগ ব্যায়াম বলে জানান রসিদ। আদতে হুগলির পান্ডুয়ার বাসিন্দা। তেরো বছর বয়স থেকে খেলা দেখাচ্ছেন সার্কাসে। তাঁর মা লায়লা বিবি, বাবা রফিক আলম কুরেশি দুজনেই এক সময় সার্কাসে এই খেলা দেখাতেন। তাঁদের কাছেই শিখেছেন এই খেলা। ঝুঁকি আছে, মাছ শ্বাসনালিতে আটকে যাওয়ার ভয় আছে।

রসিদ বলেন, “সার্কাসের জীবনটাই তো ঝুঁকি। এখানে কোনও ম্যাজিক নেই। এই খেলা দেখানোর জন্য সকালে অল্প জলখাবার খেয়ে, আর সারা দিন না খেয়েই কাটাতে হয়। তিনটে শো শেষ করে তবে রাতে খাওয়া। এই কষ্ট এখন আর কেউ করতে চায় না। তাই সার্কাসে শিল্পীর অভাব।”

অথচ রসিদ এই খেলা দেখিয়ে তাসখন্দে এক বছর কাটিয়ে এসেছেন। ভারতের সব সার্কাসে কাজ করেছেন। তাঁর কথায়, “সার্কাস ইতিহাস হতে আর বেশি দেরি নেই।”

সার্কাসের ম্যানেজার মোল্লা সাদিক রহমান বলেন, “সার্কাসের জন্য মাঠ পাওয়া যায় না এখন। আগে পশু পাখিদের খেলা দেখতে বহু দূর থেকে মানুষ আসত। এখন আসে না।তবে শনি রবিবার ভালো ভিড় হচ্ছে চুঁচুড়ার মাঠে। আগামী দিনে হয়তো সার্কাস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। যদি না এখনই কিছু ভাবা হয়। এতে অনেকের কর্মসংস্থান জড়িত।”