AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jalpaiguri: একজন ভর্তিতে ৪৫০ টাকা! তিন সন্তান হলেই ছাড়, সরকারি ফি-র থেকে বেশি নিয়েও ‘আজব অফার’ বাংলার স্কুলে

Jalpaiguri School: সূত্রের খবর, স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা এক হাজারের বেশি। কিন্তু গ্রুপ ডি কর্মী মাত্র একজন। একজন মহিলা গ্রুপ ডি কর্মীর পক্ষে তাঁর কাঁধে থাকা সব কাজ করা সম্ভব নয়৷ এই কারণে স্কুলের পরিচালন সমিতি স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের নিয়ে কয়েকদিন আগে বৈঠকে বসে। সেখানেই বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Jalpaiguri: একজন ভর্তিতে ৪৫০ টাকা! তিন সন্তান হলেই ছাড়, সরকারি ফি-র থেকে বেশি নিয়েও ‘আজব অফার’ বাংলার স্কুলে
ক্ষোভ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 06, 2026 | 3:34 PM
Share

জলপাইগুড়ি: এক সন্তানের জন্য সাড়ে চারশো টাকা। একাধিক সন্তান হলে ডিসকাউন্ট। সরকারি স্কুলে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগে শোরগোল জলপাইগুড়িতে। অভিযোগ, অ্যাডমিশনের নামে পড়ুয়াদের কাছ থেকে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি-দের জন্য মাসিক সাম্মানিকের টাকা নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে চাপানউতোর শুরু হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। সোমবার দিনভর ব্যাপক উত্তেজনার ছবিও দেখা গেল জলপাইগুড়ির সদর ব্লকের গড়ালবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে।

এই স্কুলে অধিকাংশ পড়ুয়ারা দরিদ্র পরিবারের। অভিযোগ যেখানে সরকার নির্ধারিত ফি ২৪০ টাকা সেখানে ৪৫০ টাকা অর্থাৎ প্রায় দ্বিগুণ ফি নেওয়া হচ্ছে। অভিভাবকদের একটাই কথা, এত টাকা তাঁদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। ফি নিতে হবে সরকারের নির্ধারিত মূল্যেই। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আশেপাশে বিভিন্ন স্কুলে পাঁচশো থেকে ছয়শো টাকা পর্যন্ত ভর্তির জন্য নেওয়া হয়। সেখানে কোনও সমস্যা হচ্ছে না। এখানে স্কুলে কিছু টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে স্কুল পরিচালনার সুবিধার্থে। কিন্তু কোন সুবিধা?

সূত্রের খবর, স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা এক হাজারের বেশি। কিন্তু গ্রুপ ডি কর্মী মাত্র একজন। একজন মহিলা গ্রুপ ডি কর্মীর পক্ষে তাঁর কাঁধে থাকা সব কাজ করা সম্ভব নয়৷ এই কারণে স্কুলের পরিচালন সমিতি স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের নিয়ে কয়েকদিন আগে বৈঠকে বসে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় সরকারি ভর্তির মূল্য ২৪০ টাকার পাশাপাশি ২০ টাকা আইকার্ড, ৯০ টাকা গ্রুপ ডি কর্মী ও ১০০ টাকা সরস্বতী পুজোর জন্য অতিরিক্ত নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত মেনেই ভর্তির টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের। এ ছাড়া এক পরিবারের তিনজন সন্তান থাকলে ভর্তির জন্য বাড়তি ছাড় দেওয়া হবে স্কুলের তরফে।

অভিভাবক আজিজুল হক বলছেন, এত বেশি টাকার জন্য একজনকে ভর্তি করে পেরেছি। একজনকে  ভর্তি করতে পারিনি। ঝামেলার জন্য ভর্তি প্রক্রিয়াতেও ছাপ পড়ছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জন সরকার বলছেন, আমাদের স্কুলে গ্রুপ সি স্টাফ একজনও নেই, দুজন থাকার কথা। তা ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি নিয়ে অস্থায়ীভাবে স্থানীয় স্তরে একজনকে নিয়োগ করছি। একজন গ্রুপ ডি স্টাফও অস্থায়ীভাবে নেওয়া হচ্ছে। তাদের সাম্মানিক দেওয়ার জন্যই পড়ুয়া প্রতি ৯০ টাকা করে নিচ্ছি।  পরিচালন সমিতির সভাপতি মহম্মদ মাসুদ, কারও তিন সন্তান থাকলে তাঁর ক্ষেত্রে আমরা টাকা কমানোর বিষয়ে বিবেচনা করছি। অন্যদিকে কেউ যদি একদমই টাকা দিতে না পারেন তাহলে তাঁদের ক্ষেত্রেও পরিচালন কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেবে।