AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Road Accident: অভিশপ্ত রাত কেটেছে লাশকাটা ঘরে, পাড়ায় আসছে তিন তিনটে তরতাজা ছেলের দেহ

Murshidabad: এদিকে পরিবারের কাছে খবর পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাড়ির সদস্যরা। একই এলাকার তরতাজা তিনটে ছেলের এভাবে চলে যাওয়ায় শোকস্তব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারাও।

Road Accident: অভিশপ্ত রাত কেটেছে লাশকাটা ঘরে, পাড়ায় আসছে তিন তিনটে তরতাজা ছেলের দেহ
ভয়াবহ পথদুর্ঘটনা মুর্শিদাবাদে।
| Edited By: | Updated on: Jan 13, 2023 | 11:38 AM
Share

মুর্শিদাবাদ: ভয়াবহ পথদুর্ঘটনা (Road Accident) প্রাণ কাড়ল তিন যুবকের। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার ভাকুড়ি হরিহরপাড়া রাজ্য সড়কের গজধর পাড়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃতদের নাম সৌভিক বিশ্বাস (২৪), তপন ঠিকাদার (২৩) ও সোমনাথ বিশ্বাস (৩১)। প্রত্যেকের বাড়ি খিদিরপুর কলোনি কুমড়োদহ ঘাট এলাকায়। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাইকে তিন বন্ধু বহরমপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা মারে বাইকটি। ঘটনাস্থলে মারা যান সৌভিক। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাকি দু’জনকেও চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। যদিও কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশ্ন উঠেছে ওই তিন যুবকের মাথায় হেলমেট ছিল কি না তা নিয়ে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এদিকে পরিবারের কাছে খবর পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাড়ির সদস্যরা। একই এলাকার তরতাজা তিনটে ছেলের এভাবে চলে যাওয়ায় শোকস্তব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারাও। এলাকারই বাসিন্দা পরিমল বিশ্বাস বলেন, “রাত তখন ১০টা। বহরমপুরে যাচ্ছিল ওরা। কীভাবে যে এটা হল বুঝতেই পারছি না। পুলিশ বলতে পারবে একমাত্র।” আরেক বাসিন্দা বিষ্ণুচরণ শিকদার বলেন, “শুনছি ওদের মাথায় হেলমেট ছিল না। তবে সবই শোনা কথা। কিছুই তো আমরা সঠিক করে বলতে পারব না।”

তপনের বৌদি বুল্টি ঠিকাদার জানান, তাঁর দেওররা তিন বন্ধু এদিন রাতে বাইকে বেরিয়েছিলেন। এদিকে রাত হয়ে যাচ্ছে দেখে ফোন করেন শ্বশুর। অন্য একজন ফোনটি ধরেন। বুল্টির কথায়, “পকেটে ফোন বাজছিল দেওরের। অন্য একজন ফোন ধরে বলেন অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। তিনজনেরই খুব খারাপ অবস্থা। শুনেই মা, বাবা, ওর দাদা গেল। গিয়ে শোনে পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। হাসপাতাল থেকে বলে মারা গিয়েছে।”

শুক্রবার সকাল থেকেই পাড়ায় লোকজনের ভিড়। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। তিন তিনটে দেহ ফিরবে গ্রামে। সকলেরই চোখ ঝাপসা। চোখে মুখে উদ্বেগের ছাপ। তদন্ত শুরু করেছে হরিহরপাড়া থানা এলাকার পুলিশ।