Higher Secondary: ‘তাড়াতাড়ি বাড়ি আসো’, বারবার বাবাকে মেসেজও করে, পড়ার জন্য বাড়ি থেকে যায় HS পরীক্ষার্থী, কিন্তু যা হল…শিহরিত সকলেই
Higher Secondary: সীমা দুলদুলি হাই স্কুলের ছাত্রী । পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে এলাকায় যাত্রা শুনতে গিয়েছিলেন তার পরিবারের লোকজন । সীমা বাড়িতে একাই ছিল। পাশের গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল নাবালিকার। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, সেই যুবক গ্রামের মানুষকে খবর দেন, সীমার মৃত্যু হয়েছে। ওই যুবক গ্রামবাসীদের জানান, তিনি সীমার বাড়ি গিয়েছিলেন, তিনি গিয়েই দেখতে পান সীমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে।

উত্তর ২৪ পরগনা: বাড়ির লোক যাত্রা শুনতে গিয়েছিলেন। বারবার বলেছিলেন মেয়েকে যাওয়ার জন্য। কিন্তু পড়াশোনার বাহানা দিয়ে বাড়ি থেকে গিয়েছিলেন এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। বাড়ি ফিরে মেয়েকে যে অবস্থায় দেখলেন, এক লহমায় নিঃস্ব হয়ে গেল পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জের আমবেড়িয়ায়। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রীর দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সীমা মণ্ডল।
সীমা দুলদুলি হাই স্কুলের ছাত্রী । পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে এলাকায় যাত্রা শুনতে গিয়েছিলেন তার পরিবারের লোকজন । সীমা বাড়িতে একাই ছিল। পাশের গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল নাবালিকার। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, সেই যুবক গ্রামের মানুষকে খবর দেন, সীমার মৃত্যু হয়েছে। ওই যুবক গ্রামবাসীদের জানান, তিনি সীমার বাড়ি গিয়েছিলেন, তিনি গিয়েই দেখতে পান সীমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে।
দ্রুত ওই নাবালিকাকে নামানো হয়। তার বাবা-মাকে ডেকে নিয়ে আসা হয়। ওই নাবালিকাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু ছাত্রীর পরিবারের তরফ থেকে হিঙ্গলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। আত্মহত্যা নাকি খুন, তা নিয়েই ধন্দে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ছাত্রীর বাবা বলেন, “মেয়ে তো আমাকে বলল, বাবা আমি ভালই পরীক্ষা দিচ্ছি। আমি যখন যাত্রা দেখতে গিয়েছিলাম, বারবার মেসেজ ঢুকছিল, তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার জন্য। ওদের সম্পর্কের কথা জানতাম। কিন্তু বলেছিলাম, ১৮ বছর হয়ে যাক, তারপর বিয়ে দেব।”
