Security forces interacted with local residents: ‘নির্বিঘ্নে ভোট দিন’, ভোটারদের ‘ভয়’ দূর করতে পথে বিএসএফ
West Bengal assembly election: নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বস্ত করেন। জানানো হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন রয়েছে যাতে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে হয়। কেউ কোনওরকম ভয় দেখালে, হুমকি দিলে বা প্রভাব খাটানোর ঘটনা ঘটলে তা অবিলম্বে নিরাপত্তা বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ করা হয়। একইসঙ্গে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে ভোটদানে অংশগ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়।

বরাহনগর: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বাংলার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেই এ কথা জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তবে বাংলায় ভোটারদের ‘মনোবল’ বাড়াতে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পৌঁছে গিয়েছিলেন। এলাকায় এলাকায় টহলদারি শুরু করেন। আর ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও আধিকারিকরা ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের আশ্বাস দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার সেই ছবিই দেখা গেল উত্তর ২৪ পরগনার বরাহনগর বিধানসভা এলাকায়।
বরাহনগর বিধানসভা আসনে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণের প্রাক্কালে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়াতে বরাহনগর বিধানসভা কেন্দ্রে টহল দিল বিএসএফ। এদিন বিকেলে বিএসএফের এই টহলের নেতৃত্বে ছিলেন অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন সিআরপিএফের উত্তর ২৪ পরগনার নোডাল অফিসার ডিআইজি এস ডি পান্ডে এবং কমান্ড্যান্ট পুষ্পেন্দর গাঙ্গওয়ার।
নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বস্ত করেন। জানানো হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন রয়েছে যাতে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে হয়। কেউ কোনওরকম ভয় দেখালে, হুমকি দিলে বা প্রভাব খাটানোর ঘটনা ঘটলে তা অবিলম্বে নিরাপত্তা বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ করা হয়। একইসঙ্গে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে ভোটদানে অংশগ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়ানো, নিরাপত্তার বিষয়ে তাঁদের সুনিশ্চিত করা এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার এই পদক্ষেপ জারি থাকবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সুনিশ্চিত করাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর লক্ষ্য।
