Shantanu Thakur: পাঁচ বছরে ওঁর পারফরম্যান্স খুব ভাল’, তরুণ তৃণমূল প্রার্থীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ শান্তনু
Shantanu Thakur: মুকুটমনি মতুয়া বলয়ের 'পোস্টার বয়' হিসাবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তৃণমূলের জনগর্জন সভার আগে নারী দিবসের আগের দিনই তৃণমূলের র্যালিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে হাঁটতে দেখা যায় তাঁকে।

উত্তর ২৪ পরগনা: বিজেপি বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী দলত্যাগ ও তৃণমূলের টিকিটে রানাঘাটে লোকসভার প্রার্থী হওয়া মতুয়া বলয়ের একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। তিনি তৃণমূলে যাওয়ার পরই এক দিনের ব্যবধানেই দেশ জুড়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করে কেন্দ্র। তরুণ বিধায়ক মুকুটমণি বিজেপির অন্যতম মতুয়া মুখ ছিলেন। মতুয়া সংগঠনের জেলা সভাপতি দায়িত্ব তিনি সামলেছেন দীর্ঘদিন। সিএএ কার্যকর হওয়ার পর মুকুটমণি বলেছিলেন, ‘কেন্দ্রের কাছে চাওয়া হয়েছিল নিঃশর্ত নাগরিকত্ব।’ তিনি এখন তৃণমূলে, কিন্তু সিএএ নিয়ে রানাঘাট লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারীর বক্তব্যকে প্রশংসা করলেন শান্তনু ঠাকুর । বললেন, “সিএএ আন্দোলনের ভাগীদার মুকুটমণি অধিকারী সে কথা অস্বীকার করা যায় কী করে।”
অন্যদিকে, রানাঘাট জেলা মতুয়া মহাসঙ্ঘের পথ থেকে মুকুটমণি অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে শান্তনু ঠাকুর জানিয়েছেন, তাঁর মেয়াদকাল সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। গত পাঁচ বছর তাঁর পারফরমেন্স খুব ভাল ছিল। মেয়াদকাল শেষ হয়ে গিয়েছে বলে সরানো হয়েছে, আর সেখানে এখনও নতুন কাউকে দেওয়া হয়নি।
প্রসঙ্গত, মুকুটমনি মতুয়া বলয়ের ‘পোস্টার বয়’ হিসাবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তৃণমূলের জনগর্জন সভার আগে নারী দিবসের আগের দিনই তৃণমূলের র্যালিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে হাঁটতে দেখা যায় তাঁকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে, সেটি মতুয়াদের কাছে একটা বড় ধাক্কাই ছিল। মুকুটমণি দক্ষিণ নদিয়ার বিজেপিপন্থী মতুয়া মহাসঙ্ঘের সভাপতি, দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সমিতিতে রাজ্যের দুই সদস্যের অন্যতম ছিলেন। দু’দিন আগে পর্যন্তও তিনি নাগরিকত্ব আইন জারির পক্ষে সওয়াল করেছেন। এখন তৃণমূলে গিয়ে সিএএ কার্যকর হতেই মুকুটমণি বলেন, ““এনডিএ সরকারই এক সময়ে মতুয়াদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিচ্ছিল। কাজেই সেই সমস্যার সমাধান তাদেরই করতে হবে।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, মুকুটমণি আসলে কিছুটা হলেও ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।
