AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BJP Worker: ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন, পুকুর থেকে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর দেহ

BJP Worker's Mysterious Death: গত রবিবার সন্ধেয় বলাইপণ্ডা এলাকায় একটি হনুমান পুজোর অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন সুব্রত। সেখানে একটি মদের আসরে তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এরপর আর বাড়ি না ফেরায় সোমবার ময়না থানায় নিখোঁজ অভিযোগ করে পরিবার।

BJP Worker: ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন, পুকুর থেকে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর দেহ
মৃত্যু ঘিরে রহস্যImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 02, 2026 | 5:36 PM
Share

পূর্ব মেদিনীপুর:  ৪ দিন ধরে নিখোঁজ বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য। বাড়ি থেকে ৫০ মিটার দূরের পুকুর থেকে উদ্ধার হয় দেহ। পরিবারের অভিযোগ, খুন করে দেহ ফেলা হয়েছে পুকুরে। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার সুদামপুরে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুব্রত অধিকারী (৩৩)। তিনি সুদামপুরের ১৯৪ নম্বর বুথ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুব্রত। ৪ দিন পরে বাড়ি থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে দেহ উদ্ধার ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। বিজেপির দাবি, সুব্রত বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধেয় বলাইপণ্ডা এলাকায় একটি হনুমান পুজোর অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন সুব্রত। সেখানে একটি মদের আসরে তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এরপর আর বাড়ি না ফেরায় সোমবার ময়না থানায় নিখোঁজ অভিযোগ করে পরিবার। অবশেষে বৃহস্পতিবার বাড়ির অদূরেই একটি পুকুরে তাঁর দেহ ভেসে ওঠে। উদ্ধার হওয়া দেহের জামার পকেটে না ভেজা অবস্থায় বিড়ি ও দেশলাই মিললেও তার মোবাইল ফোনটির কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি।

সুব্রতর মা কাজল অধিকারীর দাবি, তাঁর ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে অন্য কোথাও খুন করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, তিনদিন ধরে জলে থাকলে দেহের যে অবস্থা হওয়ার কথা ছিল সুব্রতর ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি! এর আগে একবার সুব্রতকে অপহরণ করে মহিষাদলে আটকে রাখা হয়েছিল এবং টাকা হাতিয়ে মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবার সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। সেই পুরনো শত্রুতার জেরেই এই ঘটনা কিনা প্রশ্ন উঠছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। ময়না ব্লক বিজেপি প্রমুখ সুজিত বেরা বলেন, “ওই এলাকায় তৃণমূলের মদতপুষ্ট সমাজবিরোধীদের দাপট রয়েছে এবং তারাই এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে।”

অন্যদিকে, খুনের দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। শাসক শিবিরের দাবি, এটি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা এবং বিজেপি ভোট সামনে রেখে মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে এবং ঘটনার সবকটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।