দিঘা: আবারও দিঘা। বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে আইইডি বিস্ফোরণে জড়িত দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার সৈকত নগরী দিঘা থেকে। বাঙালির কাছে দিঘা যে আবেগের জায়গা সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। একদিনের ছুটি হোক বা দু’দিনের উইকেন্ড ট্রিপে সমুদ্রের পাড় থেকে ঘুরে আসত ভালবাসে বাঙালি। সেই দিঘা থেকেই কি না ‘মোস্ট ওয়ানটেট’ দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার। ফলে দিঘার নিরাপত্তা নিয়ে উঠল আবারও প্রশ্ন।
কয়েক মাস আগেই এইখানে এক যুবতীকে তাঁর বন্ধুর সামনেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকে আরও কড়া হয় সৈকত নগরীর প্রহরা। রাত্রিবেলা শুরু করা হয় নাইট কার্ফু। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আবার দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার হওয়ায় নিরাপত্তার প্রশ্ন আরও একবার উস্কে দিল।
সূত্রের খবর, উৎসবের আবহকে কাজে লাগিয়ে পড়শী রাজ্য ওড়িশা থেকেই বাংলায় ঢুকেছিল অভিযুক্তরা। দিঘায় আসা যে কোনও পর্যটকদের নাম নথিভূক্ত করতে হয় ই-পোর্টালে। সঙ্গে দিতে হয় বৈধ তথ্য। তা হলে কোন কোন তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রারে নাম উঠলো এই দুই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’-এর। হোটেল কর্তৃপক্ষ কি আদৌ চেক করেছিলেন? সেই নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা সচিত্র পরিচয় পত্র কোথা থেকে পেল বা কোন নামে এন্ট্রি নিল দিঘার হোটেলে? পুলিশি নজর কি আদৌ ছিল উঠছে প্রশ্ন? এখানে এসে সমুদ্রে স্নান। রেস্তোরাঁয় খাওয়া দাওয়া। দিব্যি মজলিস করে আসর পাতিয়েছিল সৈকত নগরীতে। অথচ কেউ কিছু টের পর্যন্ত পেল না?
জেলা পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের কাছে তথ্য আসার পর দু’ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়। এটা যৌথ অভিযান। যে মুহূর্তে তথ্য এসেছে সঙ্গে-সঙ্গে তাদের গ্রেফতার করা হয়।”
প্রসঙ্গত, মার্চ মাসের ১ তারিখ বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে যে আইইডি বিস্ফোরণ হয়েছিল, তাতে আহত হয়েছিলেন কমপক্ষে ১০ জন। ৩ মার্চ তদন্তভার গ্রহণ করে এনআইএ। বিস্ফোরণের পর থেকেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছিল। অবশেষে তাঁদের আজ গ্রেফতার করে এনআইএ।জানা গিয়েছে, কলকাতার উপকণ্ঠেই, দিঘায় লুকিয়ে ছিল দুই অভিযুক্ত। একটি হোটেলে তাঁরা পরিচয় গোপন করে থাকছিল। আজ এনআইএ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, কর্নাটক ও কেরল পুলিশের যৌথ অভিযান করে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তরা হল, আব্দুল মাথিন ত্বহা ও মুসাভির হুসেন সাজিব