Sheikh Hasina: বাংলাদেশে নির্বাচন, ইউনূসকে ‘গণতন্ত্রের ডুয়েলে’ লড়ার চ্যালেঞ্জ শেখ হাসিনার
Bagladesh Update: অডিয়ো বার্তায় ইউনূসকে দুষে তিনি বলেন, 'এটা নির্বাচনের নামে প্রহসন হচ্ছে। যেখানে আওয়ামী লিগ অংশগ্রহণ করতে পারে না, সেটা আবার নির্বাচন কীভাবে? আজ আমাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেবে না কেন?' বছর বছর ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে হাসিনার দল।

ঢাকা: ক্ষমতা থাকলে ভোটে লড়াই করুন। বৃহস্পতিবার অডিয়ো বার্তায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে চ্য়ালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বললেন, ‘আমি ইউনূসকে আহ্বান করছি, আসুন আমার বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ান। যে কোনও আসন থেকে দাঁড়ান। দেখুন না মানুষ কাকে ভোট দেয়! সেটা তো করতে পারবেন না। সে সাহস নেই।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। আওয়ামী লিগের সরকারের পতনের দেড় বছরের অধিক সময় কাটিয়ে হতে চলেছে ভোট। ইতিমধ্যেই সুষ্ঠ নির্বাচন করানোর প্রতিশ্রুতিতে লক্ষ লক্ষ সেনা-নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এই নির্বাচনে থাকছে না আওয়ামী লিগ। ইউনূসের বাংলাদেশ নিষিদ্ধ করেছে তাঁদের। যা নিয়ে তীব্র আপত্তি শেখ হাসিনার।
অডিয়ো বার্তায় ইউনূসকে দুষে তিনি বলেন, ‘এটা নির্বাচনের নামে প্রহসন হচ্ছে। যেখানে আওয়ামী লিগ অংশগ্রহণ করতে পারে না, সেটা আবার নির্বাচন কীভাবে? আজ আমাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেবে না কেন?’ বছর বছর ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে হাসিনার দল। শেষ কয়েকটি নির্বাচনী অঙ্ক অনুযায়ী, বাংলাদেশে আওয়ামী লিগের ভোটব্যাঙ্ক মোট ভোটার সংখ্যার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে। কিন্তু সেই দলই আজ আসন্ন নির্বাচন থেকে সম্পূর্ণ ভাবে ‘আউট’।
আওয়ামী লিগ ময়দানে থেকে বাদ হতেই অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছেন তারেক রহমান, শফিকুর রহমানেরা। নৌকার ভোট টানতে ময়দানে বিএনপি, জামায়াত। আওয়ামী লিগ সমর্থকদের মন জয় করতে দিচ্ছে নিরাপত্তার আশ্বাস, রক্ষাকবচ। এই পরিপ্রেক্ষিতে একটি আসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে আওয়ামী লিগের অন্যতম ঘাঁটি গোপালগঞ্জ। এখানে তিনটি আসনেই আওয়ামী লিগ বিপুল ভোট পেয়ে থাকে। এই তিন আসনের একটি আবার টুঙ্গিপাড়া বা গোপালগঞ্জ -৩, হাসিনার আদি-বাড়ি।
বিবিসি বাংলাকে গোপালগঞ্জ-২ সদর আসনের জামায়াত প্রার্থী আজমল হোসেন সরদার জানিয়েছিলেন, ‘আওয়ামী লিগের সমর্থকদের পারিবারিক, সামাজিক সম্পর্ককে কাজে লাগাতে চাই। মানুষকে বলে দিয়েছি, আওয়ামী লিগে ভোট দিতেই পারেন। কিন্তু তাঁরা যতদিন না আসছেন আমাদেরকে দেবেন।’ অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থীরা আবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন নিরাপত্তা দেওয়ার, যে সকল মামলায় আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীরা জড়িয়ে রয়েছেন, তা থেকে তাদের উদ্ধার করার।
