নয়াদিল্লি: ক্ষমতায় এসে থেকেই ভারত নিয়ে দুই মুখে দু’কথা বলে চলেছেন ট্রাম্প। কখনও মোদীকে নিজের প্রিয় ‘বন্ধু’ বলছেন তিনি। কখনও আবার চিন, কানাডার মতোই ‘শুল্ক-বন্দুক’ ধরছেন ভারতের কপালে। অবশ্য, দিন শেষে ‘পারস্পরিক শুল্ক’ নীতির মাধ্যমে ভারতকে আশার আলোও দেখিয়েছেন তিনিই।
তবে ভারতকে নানা ছলে শুল্ক-খোঁচা দিলেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনও মতেই মুখ খোলেনি নয়াদিল্লি। এমনকি, গত ৭ই মার্চ নয়াদিল্লিকে উদ্দেশ্যে করে ট্রাম্প বলেন, ‘ভারতের সব কীর্তি ফাঁস করেছি, এবার ওরা শুল্ক কমাতে বাধ্য হবে।’
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পরেও প্রথমদিকে কোনও মুখ খোলেনি নয়াদিল্লি। যার জেরে বেড়েছে চাপান-উতোর। বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কেন্দ্রকে। তবু বজায় রেখেছিল মৌনতা। অবশেষে মঙ্গলবার যেন সহ্যর বাঁধ ভাঙল কেন্দ্রের। ট্রাম্পের দাবিকে নস্যাৎ করে আসল সত্যি প্রকাশ করল নয়াদিল্লি। বলল, এমন শুল্ক বা ট্যারিফ ইস্যুতে এমন কোনও রকম প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।
নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্প
প্রসঙ্গত, আমেরিকার মসনদে ট্রাম্প বসতেই চলতি বছরের বাজেটে মার্কিন বাইকে শুল্কছাড়ের ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। কিন্তু, এখনও সকল প্রকার আমেরিকান পণ্যকে শুল্কমুক্ত করেনি নয়াদিল্লি। যার জেরেই ক্ষেপে রয়েছে ট্রাম্প। ক্ষমতায় ফিরেই কানাডা, চিন ও মেক্সিকোর মাথায় শুল্ক-বন্দুক ধরেছেন তিনি। তবে ভারতের ক্ষেত্রে এখনও শুল্ক চাপ না বাড়ালেও, খুব শীঘ্রই যে তা করতেও পারেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।