PM Modi-Netanyahu : নেতানিয়াহুর প্রেমজীবনেও ভূমিকা নিয়েছে ভারত, জানেন সেই রোম্যান্টিক কাহিনি?
PM Modi-Netanyahu : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন,"আমি ভারতের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ঋণী। যখন আমি সারার সঙ্গে দেখা করি, তখন আমার মনে হয় আমাদের প্রথম বা দ্বিতীয় ডেট ছিল। তেল আবিবের একটি ভারতীয় রেস্তোরাঁয় ডেটে গিয়েছিলাম আমরা। ডেট তো দারুণ ছিলই, সেইসঙ্গে খাবারও ছিল অসাধারণ।"

তেল আভিভ : ভারতের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ঋণী ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে নাকি ভারত বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইজ়রায়েল সফর চলাকালীন এমনটাই জানিয়েছেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, মোদীর ইজ়রায়েল সফর আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক কতটা মজবুত। শীঘ্রই ইজ়রায়েলের সঙ্গে মুক্তি বাণিজ্য চুক্তি করবে ভারত। সেই নিয়ে আলোচনাও চলছে। তবে, দুই দেশের সম্পর্ককে ব্যক্তিগত পর্যায়েও নিয়ে গিয়েছেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী। কীভাবে? নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, এক ভারতীয় রেস্তরাঁতেই স্ত্রীর সঙ্গে প্রথম আলাপ হয়েছিল তাঁর। আর সেখানেই তিনি ভারতের কাছে ঋণী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন,”আমি ভারতের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ঋণী। যখন আমি সারার সঙ্গে দেখা করি, তখন আমার মনে হয় আমাদের প্রথম বা দ্বিতীয় ডেট ছিল। তেল আভিভের একটি ভারতীয় রেস্তোরাঁয় ডেটে গিয়েছিলাম আমরা। ডেট তো দারুণ ছিলই, সেইসঙ্গে খাবারও ছিল অসাধারণ।” তিনি জানান, সারা প্রথমবার ভারতীয় খাবারের সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন, যা দারুণভাবে উপভোগও করেছিলেন।
রেস্তরাঁতে প্রথম ডেট নিয়ে স্মৃতিচারণ করে নেতানিয়াহু জানান, রেস্তোরাঁ পরিচালনা করতেন রিনা পুষ্কর্ণ। তিনি একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত শেফ, রেস্তরাঁর মালিক ও তিনি ইজ়রায়েলে কারি কুইন হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। ইজ়রায়েলে খাঁটি ভারতীয় খাবার পরিবেশন ও দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ভূমিকাও পালন করেছেন। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য ভারতীয় খাবার পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছেন রিনা দেবী।
প্রসঙ্গত, দুদিনের জন্য ইজ়রায়েল সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন খোদ ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী। পাশাপাশি, ইজ়রায়েলের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট’ মেডেল-এ ভূষিত করা হয়েছে তাঁকে। মোদীই প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি ইজরায়েলের পার্লামেন্টের এই সর্বোচ্চ সম্মান পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি যখন পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা শেষ করেন, সেইসময় গোটা নেসেট করতালিতে ফেটে পড়েছিল।
ইজ়রায়েল থেকে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তাও দিয়েছিলেন মোদী। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ২৬/১১-র কথাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “কোনও কারণই নাগরিকদের হত্যাকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। সন্ত্রাসবাদ কখনও সঠিক পথ হতে পারে না। আমরা ২৬/১১ মুম্বই হামলা এবং তাতে ইজরায়েলি নাগরিক সহ শতাধিক নিরাপরাধ প্রাণের হারানোর কথা মনে রেখেছি।” মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভারত প্রতিটা মুহূর্তে ইজ়রায়েলের পাশে রয়েছে।
