
নয়া দিল্লি: হঠাৎ কোনও জিনিসের দরকার পড়লে তড়িঘড়ি দোকানে আর ছোটেন না কেউ। হাতে ধরা মোবাইলেই যে রয়েছে আস্ত দোকান। চা, বিস্কুট থেকে শুরু করে ছাতা, জল, জামাকাপড় থেকে প্রসাধনী- যা চাইবে, তাই মেলে ইন্সট্যান্ট ডেলিভারি অ্যাপগুলিতে। সময় লাগে মাত্র ৫-১০ মিনিট। সবার পছন্দ তাই ব্লিঙ্কিট, সুইগি ইন্সটামার্ট, জ়েপ্টোর মতো অ্যাপ। তবে নতুন বছরে সমস্ত প্রতিযোগীদের মাত দিয়ে দিল ব্লিঙ্কিট। তারা চালু করল র্যাপিড রেসপন্স অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিস।
১০ মিনিটে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মেলে ইন্সট্যান্ট ডেলিভারি অ্যাপে। তবে বাড়িতে হঠাৎ কোনও ইমার্জেন্সি হলে, অ্যাম্বুল্যান্স জোগাড় করতে কালঘাম ছুটে যায়। এবার সেই চিন্তাও রইল না আর। ব্লিঙ্কিট আনল অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা। ২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবারই এই নতুন পরিষেবা চালু করা হয়। সংস্থার সিইও তথা সহ-প্রতিষ্ঠাতা আলবিন্দর ধিন্দসা জাানিয়েছেন, প্রাথমিক স্তরে আপাতত গুরুগ্রামে এই পরিষেবা মিলবে। ধীরে ধীরে বাকি শহরগুলিতেও এই পরিষেবা চালু করা হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা বাড়ানোর পাশাপাশি, তাতে যাবতীয় সুবিধার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। ব্লিঙ্কিট অ্যাপ থেকেই বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স বুক করা যাবে।
অ্যাম্বুল্যান্সে থাকবে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অটোমেটেড এক্সটার্নাল ডিফাইব্রিলেটর, স্ট্রেচার, মনিটর, সাকশন মেশিন ও ক্রিটিকাল ইমার্জেন্সি মেডিসিন। প্রশিক্ষিত প্যারামেডিক, একজন অ্যাসিস্টেন্ট ও দক্ষ চালক থাকবে প্রতিটি অ্যাম্বুল্যান্সে।
নন-প্রফিট মডেলে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্লিঙ্কিট সংস্থা। তারা জানিয়েছে, অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া সাধ্য়ের মধ্যেই রাখা হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সমস্ত বড় বড় শহরে এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।