নয়া দিল্লি: একটা সময় ছিল, যখন কোটিপতি হওয়া অনেক বড় ব্যাপার ছিল। কিন্তু আজকের দিনে, কোটিপতি হওয়া খুব একটা কঠিন নয়। বুদ্ধি করে সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করলে, আপনিও হতে পারেন কোটিপতি। তবে এর জন্য কোথায় বিনিয়োগ করলে আপনি লাভবান হবেন, সেই বিষয়ে একটি সম্যক ধারণা থাকা দরকার আপনার। বাজারে এমন অনেক স্কিম রয়েছে, যা আপনাকে খুব কম সময়ে সহজেই কোটিপতি করে তুলতে পারে। এরকমই একটি স্কিম হল পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ। যদি আপনি পিপএফ-এ অ্যাকাউন্ট খুলে সময় মতো প্রতি মাসে টাকা জমা না করেন, তাহলে আপনারই ক্ষতি। তাই কীভাবে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট সামলাবেন, তা জেনে রাখা দরকার।
যদি আপনি প্রতি মাসে নিজে গিয়ে পোস্টঅফিসে টাকা জমা না করতে পারেন, তাহলে আপনার জন্য অনলাইন পরিষেবার সুবিধাও রয়েছে। অনলাইনেই আপনি নিজের পিপিএফ অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করতে পারেন। এতে আপনার সময়ও বাঁচবে আর ঝঞ্ঝাটও কমবে।
যদি আপনি প্রতি মাসে পিপিএফ অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করেন এবং যদি চান ভাল রিটার্ন পেতে, তাহলে প্রতি মাসের ৫ তারিখ অবশ্যই মাথায় রাখবেন। কারণ, প্রতি মাসের ৫ তারিখকে ধরে পিপিএফ অ্য়াকাউন্টে জমা টাকার উপর সুদ হিসেব করা হয়। প্রতি মাসের পাঁচ তারিখ পর্যন্ত ন্যূনতম জমা টাকার উপর সুদ হিসেব হয়। তাই যদি আপনি পিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে বেশি লাভ পেতে চান, তাহলে প্রতি মাসের ৫ তারিখের আগে অবশ্যই টাকা জমা করুন।
ধরুন, আপনি মার্চ মাসে ৫০০ টাকা দিয়ে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলেছেন এবং প্রতি মাসে অ্যাকাউন্ট ৫০০ টাকা করে কিস্তিতে জমা দিচ্ছেন। এবার ধরুন আপনি যদি এপ্রিল মাসের ৫ তারিখের মধ্যে কিস্তির টাকা জমা না করেন, তাহলে গোটা এপ্রিল মাসে আপনার অ্যাকাউন্টে জমা টাকা মার্চ মাসে খোলা ৫০০ টাকার উপরেই হিসেব হবে। ৫ তারিখের পরে জমা পড়া টাকা পরের মাসের হিসেবের সঙ্গে যুক্ত হবে। অর্থাৎ, একইভাবে যদি আপনি মে মাসেও ৫ তারিখের পরে টাকা জমা দেন, তাহলে গোটা মে মাসে আপনার ১০০০ টাকার উপরেই সুদ হিসেব হবে।
কিন্তু যদি আপনি ৫ তারিখের আগে টাকা জমা করেন, তাহলে এপ্রিলে আপনার ১০০০ টাকার উপর সুদের হিসেব হবে। একইভাবে পরবর্তী মাসগুলিতেও যদিও ৫ তারিখের আগে টাকা জমা করেন, তাহলে পিপিএফ অ্যাকাউন্টের সম্পূর্ণ লাভ আপনি পেতে পারেন।