e Union Budget 2026: সোনার দাম বাড়লেও বাজেটের পরই সস্তা হয়ে যেতে পারে গয়না! - Bengali News | Union Budget 2026: Although gold prices have increased, jewelry might become cheaper after the budget! | TV9 Bangla News
AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Union Budget 2026: সোনার দাম বাড়লেও বাজেটের পরই সস্তা হয়ে যেতে পারে গয়না!

Gold Price: জুয়েলারি সেক্টরে কর্মসংস্থান বাড়ে ও সেই কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকে। এ ছাড়াও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও যাতে এই শিল্প এগিয়ে যায়, সেটাও চাইছেন এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। বাণিজ্য মহল বলছে, এই বাজেট ক্রেতার আস্থা ফেরাতে বিরাট ভূমিকা নিতে পারে।

Union Budget 2026: সোনার দাম বাড়লেও বাজেটের পরই সস্তা হয়ে যেতে পারে গয়না!
দাম কমবে সোনার?
| Updated on: Jan 31, 2026 | 6:38 PM
Share

পয়লা ফেব্রুয়ারি বাজেটের আগে প্রত্যাশা বাড়ছে দেশের জুয়ালারি শিল্পে। এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা চাইছে কর ছাড়, নিয়মের সরলীকরণ ও ক্রেতাদের সুবিধা হয়, এমন নীতি। যাতে এই সেক্টরে কর্মসংস্থান বাড়ে ও সেই কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকে। এ ছাড়াও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও যাতে এই শিল্প এগিয়ে যায়, সেটাও চাইছেন এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা।

বাণিজ্য মহল বলছে, এই বাজেট ক্রেতার আস্থা ফেরাতে বিরাট ভূমিকা নিতে পারে। এ ছাড়াও বিশ্বের বাণিজ্যের চাপ ও খরচ বাড়ার ফলে চাহিদা ধরে রাখাই এই মুহূর্তে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ।

চাহিদা, কর্মসংস্থান ও স্বচ্ছতায় জোর!

জুয়ালারি শিল্পের দাবি, এই সেক্টরে এমন সংস্কার দরকার যেখানে ব্যবসার পরিবেশ ভাল হয় ও বৃদ্ধি বজায় থাকে। এতে সংগঠিত ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের ফারাক কমবে ও স্বচ্ছতা বাড়বে। এক বিশেষজ্ঞ বলেন, ব্যবসা ও ক্রেতা, দুই পক্ষকেই সাহায্য করে এমন নীতি জরুরি। তাঁর মতে সোনার গয়নায় জিএসটি যদি কমানো হয় তাহলে ক্রেতাদের উপর থেকে কিছুটা হলেও চাপ কমবে। একই সঙ্গে বাড়বে চাহিদাও।

নিয়ম ও শুল্কের দাবি

অগমন্ট গোল্ডের রিসার্চ হেড রেনিশা চাইনানি বলছেন, সোনার আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ বা তার কম করলে সোনা আরও সাশ্রয়ী হবে। এ ছাড়াও কমবে চোরাচালান। পাশাপাশি কম ট্যারিফ স্ল্যাব ও স্পষ্ট নিয়মে কাস্টমস ও কর কাঠামো সরল করার দাবি উঠেছে। এ ছাড়াও সোভেরেইন গোল্ড বন্ডকেও নতুন করে ফিরিয়ে নিয়ে আসার কথাও বলেছেন তিনি।

রফতানি বাড়বে কীভাবে?

জুয়েলারি ইন্ডাস্ট্রি দেশের প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের পেটের ভাতের জোগান দেয়। এ ছাড়াও দেশের রফতানির অর্থনীতিতেও বিরাট একটা অবদান রাখে। এক বিশেষজ্ঞ বলেন, সোনা বা রুপোর উপর যদি কর ছাড় মেলে একই সঙ্গে রফতানিতে সহায়তা, স্পেশাল ইকোনমিক জোনে কাঁচামালের জোগান ও মেকিং চার্জে কর সংস্কারের মতো সুবিধা পাওয়া গেলে এই সেক্টর বিরাট প্রতিযোগিতা বাড়াবে।

আশাবাদী শিল্প

বিশ্বের হাওয়া প্রতিকূল হলেও শিল্প আশাবাদী। করছাড়, সহজ নিয়ম ও গ্রাহকের পক্ষে পদক্ষেপ এলে জুয়ালারি শিল্প কর্মসংস্থান ও রপ্তানিতে তার শক্ত অবস্থান বজায় রাখবে—এই প্রত্যাশা করাই যায় বাজেটের দিকে তাকিয়ে।