AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Malda: এবার মালদহে বিএলও-র মৃত্যুর, পরিবার বলল ‘ডাক্তার বিশ্রামের পরামর্শ দিলেও…’

BLO died: মৃতার স্বামী অর্ধেন্দু চৌধুরী বলেন, "প্রচণ্ড কাজের চাপ ছিল। যাঁরা বিএলও, তাঁরাই শুধু জানেন কাজের চাপ কী রয়েছে। প্রতি মুহূর্তে অফিস থেকে চাপ দিত। মাথা খারাপের জোগাড় হয়ে গিয়েছিল। বাইরে মাঠে বসে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা লেগে যায়। কথাই বলতে পারত না। চিকিৎসক ওষুধ দিয়েছিলেন। একটু সুস্থ হয়েছিল। কিন্তু, আবার মাঠে বসে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।"

Malda: এবার মালদহে বিএলও-র মৃত্যুর, পরিবার বলল 'ডাক্তার বিশ্রামের পরামর্শ দিলেও...'
কী বলছে মৃতার পরিবার?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 07, 2026 | 11:20 AM
Share

মালদহ: এবার মালদহে মৃত্যু হল এক বিএলও-র। মৃতার নাম সম্পৃতা চৌধুরী সান্যাল (৪৮)। মালদহের ইংরেজবাজার পৌরসভার ফুলবাড়ি পাকুরতলা এলাকার ঘটনা। পেশায় আইসিডিএস কর্মী ছিলেন ওই বিএলও। ইংরেজবাজার পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৬৩ নম্বর বুথে বিএলও-র দায়িত্বে ছিলেন। বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতার স্বামীর অভিযোগ, প্রচণ্ড কাজের চাপ ছিল। তার মধ্যে তীব্র শীত। অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তাঁর স্ত্রী। ডাক্তার বিশ্রাম নিতে বললে কাজের চাপে বিশ্রাম নিতে পারেননি। তার জেরেই ওই বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। বিএলও-র মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপারউতোর শুরু হয়েছে। 

মৃতার স্বামী অর্ধেন্দু চৌধুরী বলেন, “প্রচণ্ড কাজের চাপ ছিল। যাঁরা বিএলও, তাঁরাই শুধু জানেন কাজের চাপ কী রয়েছে। প্রতি মুহূর্তে অফিস থেকে চাপ দিত। মাথা খারাপের জোগাড় হয়ে গিয়েছিল। বাইরে মাঠে বসে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা লেগে যায়। কথাই বলতে পারত না। চিকিৎসক ওষুধ দিয়েছিলেন। একটু সুস্থ হয়েছিল। কিন্তু, আবার মাঠে বসে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।”

বিএলও-র মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বাড়িতে যান ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর গায়ত্রী ঘোষ। এর আগেও কাজের চাপে বিএলও-র মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে কমিশনকে তোপ দেগে তৃণমূল ওই কাউন্সিলর বলেন, “গতকালই উনি আমাকে বলেছিলেন, প্রত্যেকদিন নির্বাচন কমিশন নতুন নিয়ম জারি করছে। এতে প্রচণ্ড চাপে পড়ছেন। তাঁর স্বামীও অভিযোগ করছেন, চাপে রাতে ঘুমোতে পারতেন না। রাত ২-৩ পর্যন্ত কাজ করতে হত। এত মৃত্যুর পরও কমিশন যদি বুঝতে না পারে, তাহলে কবে বুঝতে পারবে আমি জানি না। প্রচণ্ড চাপের জন্য মাত্র ৪৮-৪৯ বছর বয়সে তাঁকে চলে যেতে হল।”

কাজের চাপে বিএলও-র মৃত্যু অভিযোগ খারিজ করে পাল্টা বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “বিএলও-র মৃত্যু দুঃখজনক। কিন্তু, বিএলও-রা এসআইআর-র জন্য মরছেন, এটা কিন্তু নয়। আমরা সিবিআইয়ের দাবি তোলার পর এটা বলা কিছুদিন বলা বন্ধ ছিল। বিএলও-রা কী জন্য মরছেন, তা নিয়ে তদন্ত করা হোক। বিএলও-দের মৃত্যুর পিছনে তৃণমূল সরকারের হাত রয়েছে। নাম না কাটার জন্য তৃণমূল চাপ দিচ্ছে বিএলও-দের। সেই জন্যই আমরা বলছি, বিএলও-দের মৃত্যুর তদন্ত করা হোক।”