Mamata-Suvendu: মুড়িগঙ্গায় বইছে রাজনীতির জল, শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জের মুখে মমতা বললেন ‘আরে ছাড়ুন তো’
CM lays foundation stone for Gangasagar Setu: এদিন গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করে মমতা বলেন, "আমরা মুখে বলি না, কাজে করি। ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে রাজ্য সরকার এটা আপনাদের উপহার দিল। মুড়িগঙ্গা নদীর উপর এই সেতু হল।" এই সেতু তৈরি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ শেষ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গঙ্গাসাগর: আর কয়েকদিন পরই গঙ্গাসাগর মেলা। তার আগে সোমবার গঙ্গাসাগরে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেতুর শিলান্যাসের পর মমতা বলেন, এই সেতু হলে এখানকার স্থানীয় মানুষ, পর্যটকদের সুবিধা হবে। এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যেতে সুবিধা হবে। তবে গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাসের পরই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, মুড়িগঙ্গা জাতীয় জলপথ। ফলে তার উপর সেতুর জন্য জাতীয় জলপথের NOC দরকা। রাজ্য সরকার সেই এনওসি নেয়নি বলে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার দাবি। তবে বিরোধী দলনেতার অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ নিয়ে এদিন তিনি বলেন, “ছাড়ুন তো।”
এদিন গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করে মমতা বলেন, “আমরা মুখে বলি না কাজে করি। ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে রাজ্য সরকার এটা আপনাদের উপহার দিল। মুড়িগঙ্গা নদীর উপর এই সেতু হল।” এই সেতু তৈরি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ শেষ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাসের পরই মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “মুড়িগঙ্গা জাতীয় জলপথ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি চ্যালেঞ্জ করছি, জাতীয় জলপথের NOC-টা দেখান। আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে কথা বলেছি। রাজ্য সরকার NOC-র জন্য কোনও প্রক্রিয়া শুরু করেনি।” এখানেই না থেমে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, “আপনি বলে দিলেই হবে নাকি। আপনি সামনে ভোট করবেন বলে যা খুশি বলবেন। সাগরে আপনি জিতবেন না। ওখানে রামেশ্বরমের মতো ব্রিজ বিজেপি করবে। ভারত সরকারের অর্থে করবে। জাতীয় জলপথ এই ব্রিজ করবে। আপনি করতে পারবেন না। ওয়ার্ক অর্ডার নেই, টেন্ডার হয়নি, জমি অধিগ্রহণ হয়নি।”
শুভেন্দুর এই অভিযোগকে অবশ্য গুরুত্ব দিতে চাইলেন না মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মমতা বলেন, “আরে ছাড়ুন তো। যারা কিছু করে না, তারা বলে বেশি। আমি শুধু আমার কথা বলতে পারি। ওদের কথাটা বলতে পারি না। কারণ, যারা কাজ করে না, তারা অকাজ করে বেড়ায়। আর আমাদের এত বেশি কাজ থাকে যে কাজের মধ্যে ডুবে থাকতে হয়।”
