কথা বলে ভাল লাগলে মনের মধ্যে যদি বাতি জ্বলে ওঠে: দিতিপ্রিয়া রায়
Ditipriya Roy on Saraswati Puja: 'করুণাময়ী রানি রাসমণি' সিরিয়ালে রাসমণির চরিত্রে অভিনয় করে লোকের ঘরে-ঘরে ঢুকে করেন স্কুলে পড়ার সময়ই। ১২-১৪ ঘণ্টা শুটিং করে ক্লাস টেন এবং টুয়েল্ভ পাশ করেছেন। যাঁর উপর মা সরস্বতীর এত কৃপা, তাঁর কাছে বসন্ত উৎসব মানে কি প্রেম দিবস? দিতিপ্রিয়া কি বললেন TV9 বাংলাকে?

শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয় করতে শুরু করেন দিতিপ্রিয়া রায়। অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত প্রযোজিত এবং অভিনীত ‘অপরাজিত’ সিরিয়ালে তাঁর খুদে কন্যার চরিত্রে প্রথম দেখা যায় দিতিপ্রিয়াকে। সেই দিতিপ্রিয়া এখন অনেকটাই বড় হয়ে গিয়েছেন। সমাজতত্ত্ব (Sociology) নিয়ে পড়াশোনা করেন। এই মুহূর্তে মাস্টার্স করছেন। অ্যাক্টিভিস্ট (activist) হওয়ার স্বপ্ন দেখেন দিতিপ্রিয়া। লেখাপড়ায় মেধাবী। ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালে রাসমণির চরিত্রে অভিনয় করে লোকের ঘরে-ঘরে ঢুকে পড়েন স্কুলে পড়ার সময়ই। ১২-১৪ ঘণ্টা শুটিং করে ক্লাস টেন এবং টুয়েল্ভ পাশ করেছেন। যাঁর উপর মা সরস্বতীর এত কৃপা, তাঁর কাছে বসন্ত উৎসব মানে কি প্রেম দিবস? দিতিপ্রিয়া কি বললেন TV9 বাংলাকে?
এক ঢিলে দুই পাখি
আমি প্রতিবারই শুনি, সরস্বতী পুজোকে বলা হয় বাঙালির ভ্য়ালেন্টাইনস ডে। এবারটা ব্যতিক্রম। বাংলা, ইংরেজি… সব ভ্য়ালেন্টাইনস ডে-ই একদিনে পড়েছে। তবে আমার অবশ্য ভ্যালেন্টাইনস ডে’কে কেন্দ্রে করে কোনও উন্মাদনা থাকে না। কিন্তু এবারে মজার বিষয় ঘটতে চলেছে একটা। যাঁরা বরাবর ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে বড়দের ম্যানেজ দিয়ে বেরনোর চেষ্টা করে নানারকম গল্প দিয়ে, তাদের এতকিছু বলতে হবে না। এমনিই সরস্বতী পুজো আছে, স্কুলে যাব, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাব বললেই বেরিয়ে পড়তে পারবেন। সেটাকে নিয়েই প্রচণ্ড এক্সাইটেড আশপাশের টিনএজার এবং ইয়ং জেনারেশন।
দিতিপ্রিয়ার সরস্বতী পুজো
আমার যেহেতু ‘ব্রাহ্ম স্কুল’ ছিল, তাই সেখানে আলাদা করে সরস্বতী পুজো হত না। কিন্তু বাড়িতে প্রতিবারই সরস্বতী পুজো হয়। এবারও হবে। প্রতিবারের মতো ভোর ৫টায় উঠে এবারও স্নান করতে হবে, যেটা কোনওবারই আমার ভাল লাগে না। তারপর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে হবে। এ দিক-সে দিক ঘুরতে যাব। এটা প্রত্যেক বছরের নিয়ম। ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে হয়তো একবার মুখটা দেখিয়ে আসব।
সরস্বতী পুজো এবং কুল
এই একটা বিষয় নিয়ে মানুষ কেন এত হাইপ করে, জানি না। কুল নাকি খাওয়া যাবে না। সরস্বতীর অঞ্জলি দিয়ে তবেই নাকি কুল খেতে পারব। আমি কিন্তু এসব একদমই মানি না। প্রচণ্ড বেয়াড়া বাচ্চা আমি। একদম মানি না এগুলো। একটু আগেই কুল খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছি (এই সাক্ষাৎকার যখন দেওয়া হচ্ছে)। আমার তো বিদ্যা যায়নি। সরস্বতী দেবী কি এত নিষ্ঠুর!
দিতিপ্রিয়ার ‘প্রেমিক’
আমার ভ্যালেন্টাইন নেই। আমি সিঙ্গল। তাই উন্মাদনাও নেই আলাদা করে। কেমন ধরনের পুরুষ পছন্দ, সেটা অবশ্য বলতে পারি। কাকে, কখন ভাল লাগবে, বলতে পারব না। খুব সুন্দর দেখতে হবে, এটা হবে, ওটা হবে, এমন কোনও চাহিদা নেই আমার। কথা বলে ভাল লাগলে মনের মধ্যে যদি বাতি জ্বলে ওঠে, সেই-ই হবে আমরা ‘ভ্য়ালেন্টাইন’… আমার জীবনের প্রেম।
