Prosenjit Chatterjee: ‘অভিমানের’ টিজার দেখে প্রসেনজিৎ কে চিনতেই পারেননি বাবা!
Prosenjit Chatterjee: ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালিত আগামী ছবি ‘অভিমান’-এর টিজার প্রকাশ্যে আসতেই চারদিকে হইচই। আর সেই ঝলক দেখেই নিজের ছেলেকে কার্যত চিনতেই পারলেন না প্রবীণ অভিনেতা বিশ্বজিৎ। শুধু তাই নয়, মুগ্ধ হয়ে ছেলেকে পাঠালেন এক অনন্য উপহার। আবেগপ্রবণ অভিনেতা।

কাঁধ ছোঁয়া লম্বা চুল, চোখে রোদচশমা আর মাথায় টুপি গলিয়ে স্টেজের উপর মাইক হাতে দাঁড়িয়ে এক অন্য রূপের প্রসেনজিৎ। টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)-কে এই চেনা ছকের বাইরের রকস্টার অবতারে দেখে যখন গোটা নেটপাড়া তাজ্জব, তখনই এল সবচেয়ে বড় শংসাপত্র। খোদ অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাঁর ছেলের এই রূপ দেখে চমকে গিয়েছেন। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালিত আগামী ছবি ‘অভিমান’-এর টিজার প্রকাশ্যে আসতেই চারদিকে হইচই। আর সেই ঝলক দেখেই নিজের ছেলেকে কার্যত চিনতেই পারলেন না প্রবীণ অভিনেতা বিশ্বজিৎ। শুধু তাই নয়, মুগ্ধ হয়ে ছেলেকে পাঠালেন এক অনন্য উপহার।
আসন্ন ছবি ‘অভিমান’-এ প্রসেনজিতের চরিত্রের নাম আকাশ চট্টোপাধ্যায়, যিনি একজন নামজাদা গায়ক। যিশু সেনগুপ্ত ও সৌরভ দাসের প্রযোজনা সংস্থার হাত ধরে আগামী ১৯ জুন মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি। সম্প্রতি নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি বিশেষ ছবি শেয়ার করে আবেগঘন হয়ে পড়েছেন প্রসেনজিৎ। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, ক্যানভাসের বুকে ফুটে উঠেছে ‘অভিমান’ ছবির সেই রকস্টার লুক। আর এই ছবিটি কোনও পেশাদার চিত্রশিল্পীর নয়, বরং নিজের তুলির টানে এঁকেছেন খোদ বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
বাবার এই বিশেষ উপহার পেয়ে স্মৃতির সরণি বেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন টলিউডের ‘বুম্বাদা’। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, এই উপহারটি শুধু তাঁর চরিত্র নিয়ে আঁকা ছবি নয়, এর গভীরে লুকিয়ে রয়েছে এক বাবার চোখে তাঁর ছেলেকে নতুন করে চেনার গল্প। টিজার দেখার পর বিশ্বজিৎ নাকি ছেলেকে বলেছিলেন, “তোকে চিনতেই পারিনি।” প্রসেনজিতের মতে, একজন অভিনেতার কাছে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছুই হতে পারে না, যখন তাঁর নিজের বাবাও তাঁর অভিনয়ের মধ্যে এক সম্পূর্ণ নতুন মানুষকে খুঁজে পান।
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিশ্বজিৎ এবং প্রসেনজিৎ, দুই যুগের দুই মহাতারকা। একজন ষাট ও সত্তরের দশকে বলিউড কাঁপিয়েছেন, অন্যজন বিগত তিন দশক ধরে টলিউডের একচ্ছত্র সম্রাট। পিতা-পুত্রের সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে এই কোলাজ যেন দুই শিল্পীর পারস্পরিক সম্মান ও ভালোবাসার এক দুর্দান্ত মেলবন্ধন। বাবার এই আশীর্বাদ ও ভালোবাসাকে নিজের জীবনের অমূল্য সম্পদ বলে মনে করছেন প্রসেনজিৎ।
