High Cholesterol: কোলেস্টেরল বেড়েছে? এখনই সাবধান না হলে ধেয়ে আসছে হার্টের অসুখ

Heart Attack: কোলেস্টেরল বাড়লে হৃদরোগের সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়ে যায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে যে কোনও মুহূর্তে হার্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু খুব কম মানুষই বাড়তি কোলেস্টেরল এবং এর প্রভাব নিয়ে সচেতন নয়। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের সম্ভাবনা এড়াতে চাইলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে হবে।

High Cholesterol: কোলেস্টেরল বেড়েছে? এখনই সাবধান না হলে ধেয়ে আসছে হার্টের অসুখ
Follow Us:
| Updated on: Apr 01, 2024 | 8:15 AM

কোলেস্টেরলের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়াই এই সমস্যার পিছনে দায়ী। যত বেশি বাইরের খাবার খাবেন, বেড়ে যাবে খারাপ কোলেস্টেরলের সমস্যা। তার সঙ্গে যদি শরীরচর্চা না করে, বিপদ আরও। তবে, আপনার শরীরের বিপাকহার যদি ভাল হয়, তাহলে খুব বেশি ভয় পাওয়ার দরকার নেই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ে। কিন্তু খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে গেলে বিপদ আপনারই। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে এটি রক্তনালিতে জমা হতে থাকে। এর জেরে রক্তনালিগুলো সরু হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। এখান থেকেই বাড়ে রক্তচাপ এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা।

কোলেস্টেরল বাড়লে হৃদরোগের সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়ে যায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে যে কোনও মুহূর্তে হার্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু খুব কম মানুষই বাড়তি কোলেস্টেরল এবং এর প্রভাব নিয়ে সচেতন নয়। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের সম্ভাবনা এড়াতে চাইলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে হবে।

উচ্চ কোলেস্টেরলের উপসর্গ:

১) কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদস্পন্দনের গত বড়ে যায়। একটু জোরে হাঁটলে বা সিঁড়ি ভাঙলে হাঁপিয়ে পড়েন। শ্বাসকষ্ট হতে থাকে অনেকের।

২) চোখের নীচের ফোলাভাব কোলেস্টেরলের লক্ষণ। অনেক সময় চোখের উপর হলুদ অংশ দেখা দেয়, এটাও বাড়তি কোলেস্টেরলের উপসর্গ।

৩) কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে দেহে রক্ত সঞ্চালনে বাধা তৈরি হয়। হঠাৎ করে স্নায়ু অসাড় হয়ে যায়। তখনই পায়ে খিঁচুনি ধরে।

৪) বুকে ব্যথা, বুকে চাপ লাগা, অস্বস্তি কোলেস্টেরলের বাড়বাড়ন্তের লক্ষণ। ধমনীতে কোলেস্টেরল জমা হওয়ার কারণে ব্লকেজ তৈরি হয়। এর জেরেই হার্টের অসুখ বাড়ে।

৫) হাই ব্লাডপ্রেশারও কোলেস্টেরলের কারণে হতে পারে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে ধমনীর উপর চাপ সৃষ্টি হয়। এর জেরেই রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে এবং রক্তচাপ বাড়ে।

৬) কোলেস্টেরলের কারণে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে পারে। চোখে ব্যথা হয়। এগুলো এড়িয়ে যাবেন না।

যে উপায়ে কোলেস্টেরলকে বশে রাখবেন-

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে গেলে খাওয়া-দাওয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে। ঘন ঘন রাস্তার খাবার খাওয়া চলবে না। তেল, চর্বিমুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। শাকসবজি, দানাশস্য, বাদাম, ফল, মাছ ইত্যাদি বেশি করে খান। খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম, মানসিক চাপ কমানো এবং প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্তপরীক্ষা করে কোলেস্টেরলের মাত্রা যাচাই করতে হবে। এতেই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।