Bank Fraud Awareness: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কর্মী-যোগের প্রমাণ মিলেছে, জালিয়াতি রুখতে এবার ব্যাঙ্কগুলিকে বিশেষ সতর্কতা লালবাজারের

TV9 Bangla Digital | Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Nov 27, 2021 | 7:28 AM

Bank Fraud Awareness: ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসায় এবার শহরের সব ব্যাঙ্কগুলিকে সতর্ক করল লালবাজার।

Bank Fraud Awareness: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কর্মী-যোগের প্রমাণ মিলেছে, জালিয়াতি রুখতে এবার ব্যাঙ্কগুলিকে বিশেষ সতর্কতা লালবাজারের
ব্যাঙ্কগুলিকে সতর্ক করল লালবাজার

Follow Us

কলকাতা: গত কয়েক মাসে শহরে একের পর এক ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতারণা হয়েছে কয়েক কোটির। ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসায় এবার শহরের সব ব্যাঙ্কগুলিকে সতর্ক করল লালবাজার।

ব্যাঙ্কের বিভিন্ন বিভাগের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড গুলি সবসময় যাতে নজরে রাখা হয় ও সেগুলি যাতে সঠিক ব্যবহার হয় তার উপর নজর রাখতে কতৃপক্ষকে সতর্ক করল লালবাজার। কারণ ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রাঞ্চের অস্থায়ী কর্মীদের যোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই সব কর্মীরা ব্যাঙ্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহারের অধিকার পাচ্ছে। এই বিষয়টা যাতে না হয় সেজন্য সতর্ক করল লালবাজার ।

সম্প্রতি শহরের একাধিক এটিএম থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছিল টাকা। এটিএম জালিয়াতির তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইউটিউব দেখে ধৃতরা গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান নেয়। ডার্ক ওয়েবে বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল ব্ল্যাক বক্স। সেই ব্ল্যাক বক্সের মাধ্যমেই এটিএম-এর সঙ্গে ব্যাঙ্কের সার্ভারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভূতুড়ে কায়দায় টাকা গায়েব করা হয়েছিল।

কীভাবে হচ্ছিল জালিয়াতি?

♦ চাবি দিয়ে প্রথমে এটিএমের হুড খোলা হয়।
♦  ভিতরের ইউএসজি পোর্টে ওই ব্ল্যাক বক্সটিকে বসিয়ে দিতে হয়।
♦  ব্ল্যাক বক্স পুট হয়ে যাওয়ার পরই গোটা এটিএমের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে পেয়ে যায় জালিয়াতরা।
♦ এটিএমের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে যে মেশিনটি রিপিয়ারিং মোডে চলে গিয়েছে।
♦  এরকম লেখা থাকলেও ওই অবস্থায় টাকা বের করা সম্ভব এবং সেই ব্ল্যাক বক্স মোবাইলের মাধ্যমেও  নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
♦ তারপর ‘get cash’ বোতাম চাপ দিলেই টাকা বেরিয়ে আসবে।
♦  এটিএমের ক্যাশ ট্রে অর্থাৎ টাকার বেরনোর কন্ট্রোলটিও জালিয়াতদের কাছে চলে যায়।
♦  ঠিক এই কলকাতা থেকে গত কয়েক দিনে ২ কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
♦  চিন ছাড়াও অনান্য অনেক দেশ থেকে বেআইনি পথে এই যন্ত্র আমদানি করত।

এই কায়দায় গত কয়েকদিনে এই চক্র কলকাতার বিভিন্ন এটিএম থেকে ২ কোটি টাকা গায়েব করেছে।

এ তো গেল জালিয়াতির একটি ধরন। পাশাপাশি গত কয়েকটি মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কেও বেশ কয়েক লক্ষ টাকার জালিয়াতির খবর সামনে আসে। চেক গ্রাহকের কাছে, অথচ দেখা যাচ্ছে তাঁদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে যাচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগনার বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের শাখায় এই ধরনের অভিযোগ সামনে আসে গত কয়েক মাসে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গ্রাহকদের আধার ও প্যান কার্ড নকল করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। ঘটনায় উঠে ওই ব্যাঙ্কেরই এক অফিসারের নাম। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে এবার তদন্তকারীরা ব্যাঙ্কগুলিতে আরও আঁটোসাঁটো নিরাপত্তায় জোর দিতে বলেছেন।

আরও পড়ুন: আগামী বছর টানা ১১ দিন পুজোর ছুটি, ২০২২ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ নবান্নের

Next Article