BJP Rally: রাজপথ কাঁপল বিজেপির মিছিলে, মমতা-অভিষেকের বাড়ির সামনে উঠল স্লোগান; জ্বলল কুশপুতুল

BJP in Kolkata: মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পেরিয়ে ব্রিজে উঠেই কুশপুতুল দাহ করে বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা।

BJP Rally: রাজপথ কাঁপল বিজেপির মিছিলে, মমতা-অভিষেকের বাড়ির সামনে উঠল স্লোগান; জ্বলল কুশপুতুল
বিজেপির মিছিলে পুড়ল কুশপুতুল
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Feb 02, 2023 | 11:06 PM

কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কলকাতার রাজপথে একটি মিছিলের ডাক দিয়েছিল বিজেপি (Bengal BJP)। বিকেল চারটের কিছু পরে শুরু হয় মিছিল। রুবি মোড় থেকে গরিয়াহাট মোড়, যাদবপুর থানা, টালিগঞ্জ মেট্রো স্টেশন হয়ে কালীঘাটে গিয়ে পৌঁছায় মিছিল। মিছিল কালীঘাটে পৌঁছাতেই মিছিলের চেহারা অন্য আকার ধারণ করে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়ির সামনে দিয়ে মিছিল যাওয়ার সময় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে থমকে যায় মিছিল। শুরু হয় স্লোগানিং। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ির সামনে দিয়ে মিছিল যাওয়ার সময়ও উত্তাল হয় পরিবেশ। স্লোগানিং চলতে থাকে, চোর ধরো জেল ভরো। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পেরিয়ে ব্রিজে উঠেই কুশপুতুল দাহ করে বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা।

এরপর মিছিল এগিয়ে যায় চেতলার দিকে। সেখানেও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বাড়ির অদূরে চলে বিক্ষোভ, স্লোগান। চেতলা মোড়ে রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে চলে প্রতিবাদ। প্রসঙ্গত, এদিন বিকেলের রুবির মোড় থেকে বেহালার শখের বাজার পর্যন্ত মিছিলের আয়োজন করেছিল পুলিশ। বিজেপির তরফে এদিন বাইক মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রথমে পুলিশের তরফে বাইক নিয়ে মিছিল করার জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছিল না। পরে পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন বিজেপির নেতারা এবং শেষ পর্যন্ত বাইক নিয়ে মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। এদিন মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন আসানসোলের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। বৃহস্পতিবার বিকেলের এই মিছিলে পদ্ম শিবিরের কর্মী ও সমর্থকদের ঢল ছিল চোখে পড়ার মতো।

কলকাতা শহরে এর আগে নবান্ন অভিযানের দিন বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা শক্তি প্রদর্শন করেছিলেন। এবার ফের কলকাতার রাজপথে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন। এবার একেবারে বাইক মিছিল করে। আর কালীঘাটে পৌঁছানোর পর মিছিল যে রূপ নেয়, তার আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এই বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘জনবিচ্ছিন্ন ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার, রাজনৈতিক দৈন্যতায় ভুগতে থাকা বিজেপি সন্ত্রাস ও আইন ভাঙাকে হাতিয়ার করে, কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর ভরসা করে রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিকতা খুঁজছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের আতঙ্কে তারা ভুগছে। মমতা ও অভিষেকের জনপ্রিয়তা যত গগণচুম্বী হচ্ছে, তত বিজেপির রাতের ঘুম উড়ে যাচ্ছে। তাই তারা উন্মাদের মতো আচরণ করছে।’