ABVP Press Meet: ‘চে-লেনিন ভারতের কেউ না’, ইউনিয়ন রুমে কাদের ছবি থাকবে বলে দিল এবিভিপি
BJP in Bengal: দীর্ঘ সময় ধরে কলেজে কলেজে বন্ধ ছাত্র সংসদ নির্বাচন। মাঝে দীর্ঘ আন্দোলনের পর যাদবপুর, প্রেসিডেন্সিতে নির্বাচনের ছবি দেখা গেলেও বাতি ক্যাম্পাসে ভোট অধরাই রয়েছে। আর শেষ ভোটের পরেও কেটে গিয়েছে দীর্ঘ বেশ কিছু বছর। এবিভিপি যদিও বলছে এবার তাঁরা নির্বাচন করাতে উদ্যোগী হবে।

কলকাতা: পদ্মাসনে বাংলা। বিরাট মার্জিনে বিজেপির কাছে ধরাশায়ী তৃণমূল কংগ্রেস। গেরুয়া জোয়ারে ভাসছে গোটা বাংলা। স্বভাবতিই উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবিরের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-ও। বিজেপি জিততেই একেবারে সাংবাদিক বৈঠকে আগামী সংগঠনের রূপরেখাও বাতলে দিলেন গেরুয়া শিবিরের ছাত্র-যুব নেতারা। এবিভিপি-র দক্ষিণবঙ্গ প্রদেশ সম্পাদক নীলকন্ঠ ভট্টাচার্যের সাফ কথা, রাজনীতি মুক্ত রাখা হবে। রাজনীতির আখড়া কলেজ ক্যাম্পাস হবে না, মনীষীদের ছবি থাকবে ক্যাম্পাসে। কলেজ ক্যাম্পাসে ইউনিয়ন রুমের মধ্যে বিবেকানন্দ, সরস্বতী ও ভারত মাতার ছবি থাকবে। নেশা মুক্ত ক্যাম্পাস হবে, এটাই আহ্বান।”
তবে এবিভিপি নেতাদের সাফ কথা, বামপন্থী ক্যাম্পাসগুলিতে চে-লেনিনের যে ছবি দেখা যায় তা তা আর ‘বরদাস্ত’ করা হবে। এবিভিপি নেতা বলছেন, “মনীষিদের ছবি কলেজে থাকবে কিন্তু লেলিন, চে ভারতে কেউ না। ভারতের যারা তাদের ছবি রাখব।” এবারই হইহই করে রামনবমী পালন হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। তা নিয়ে সরগম হয়েছে রাজনৈতিক আঙিনা। এখনও বাংলায় বিজেপির জয়ের পর যে সেই সেই বিতর্কের আর কোনও অবকাশ থাকছে না তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এবিভিপি নেতারা জোর দিয়েই বলছেন, “পশ্চিমবঙ্গে সব কলেজ রামনবমী হবে, যদি ইফতার হতে পারে রামনবমীও হবে।”
এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে কলেজে কলেজে বন্ধ ছাত্র সংসদ নির্বাচন। মাঝে দীর্ঘ আন্দোলনের পর যাদবপুর, প্রেসিডেন্সিতে নির্বাচনের ছবি দেখা গেলেও বাতি ক্যাম্পাসে ভোট অধরাই রয়েছে। আর শেষ ভোটের পরেও কেটে গিয়েছে দীর্ঘ বেশ কিছু বছর। এবিভিপি যদিও বলছে এবার তাঁরা নির্বাচন করাতে উদ্যোগী হবে। তবে একইসঙ্গে তৃণমূলের উদ্দেশ্যে তাঁদের কড়া সতর্কবার্তা, “আমাদের সংগঠনে সাধারণ পড়ুয়াদের জন্য দরজা খোলা কিন্তু তৃণমূলের হার্মাদের জন্য নেই।” তাঁদের সাফ কথা, এখনই বাংলার জেন জ়ি সমাজ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আগামীতেও থাকবে। নীলকন্ঠ ভট্টাচার্য বলছেন, জোর করে ক্যাম্পাস দখলের রাজনীতি আমরা করছি না। ছাত্ররা জয় শ্রীরাম বলে আমাদের ফোন করছে। আমরা তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি। ৩৭ হাজারের বেশি সদস্য দক্ষিণবঙ্গে ছিল। গোটা বাংলাতে ৫৫ হাজারের বেশি সদস্যপদ রয়েছে।
