কলকাতা: শিক্ষাঙ্গনে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু অভিযোগ থাকলেই কি তাতে যৌন হেনস্থার উপাদান থাকে? তা দেখা জরুরি বলে উল্লেখ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপত অমৃতা সিনহা। বিদ্যাসাগর কলেজের (Vidyasagar College) এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে সহকর্মীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলার শুনানি ছিল এ দিন। মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন অভিযুক্ত অধ্যাপক। শুধু তাই নয়, এই অভিযোগের তদন্ত করছিল যে ইন্টারনাল কমপ্লেইন্টস কমিটি, সেই কমিটিও ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের তরফে। নতুন কমিটি গঠন করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
বিদ্যাসাগর কলেজের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি তাঁর মহিলা সহকর্মীকে সৌন হেনস্থা করেছেন। তদন্ত কমিটি জানায়, ওই ঘটনায় শারীরিকভাবে কোনও হেনস্থা হয়নি। মুখে এমন কিছু বলা হয়েছিল যাতে অপমানিত হন ওই অধ্যাপিকা। এ দিন ছিল সেই মামলার শুনানি।
শুনানিতে এ দিন হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, ‘শিক্ষাঙ্গনে যৌন হেনস্থার অভিযোগ মানেই তাতে যৌন হেনস্থার উপাদান আছে কি না সেটা দেখা দরকার।’ তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগ আদৌ যৌন হয়রানির কি না সেটা সবার আগে খতিয়ে দেখতে হবে।’ অভিযোগের গুরুত্ব থাকলে তবেই আইসিসি বা ইন্টারনাল কমপ্লেইন্টস কমিটি গঠন করতে হবে বলে জানান বিচারপতি। ওই অধ্যাপিকাকে মুখে কিছু কথা বলেছিলেন অভিযুক্ত অধ্যাপক। তার মধ্যে যৌন নিগ্রহের উপাদান নেই বলে মনে করছে আদালত। এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন বিদ্যাসাগর কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক।
আরও পড়ুন: Weather Update: Weather Update: কাল-পরশু ‘মহাবিপদ’ বঙ্গের, ধেয়ে আসছে বার্মা থেকে
যৌন হেনস্তার অভিযোগ থেকে সাময়িক অব্যাহতি পেলেন ওই অধ্যাপক। কারণ ওই অধ্যাপকের অভিযোগের ভিত্তিতে আইসিসির পুরনো কমিটি বাতিল করেছে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। যেখানে কলেজ গভর্নিং বডির কেউ থাকবে না। সেই কমিটি পুনরায় অভিযোগ খতিয়ে দেখবে। আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে হবে আইসিসিকে।
আরও পড়ুন: Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্ট থেকে বদলি হতে পারেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি