Suvendu Adhikari: শুভেন্দু-শমীকে ফোন ট্র্যাপ করছেন জাভেদ শামিম, বিনীত গোয়েলরা, এবার CEO দফতরে নালিশ করলেন মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর দাবি, মমতার দুটো বক্তব্যের ক্লিপ ও ভাষণের পেনড্রাইভ জমা দিয়ে এসেছেন তাঁরা। শুভেন্দুর বক্তব্য, "এক জায়গায় ভাষণে তিনি বলছেন, কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী বা ভোটের কাজে নিযুক্ত নিরাপত্তাবাহিনীদের বিরুদ্ধে মহিলাদের লেলিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। মমতা বলেছেন, আপনারাই হাতা খুন্তি নিয়ে বেরিয়ে এসে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। এভাবে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর তিনি আক্রমণ করেছেন।"

কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্যের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে। এবার এই অভিযোগ তুলে CEO দফতরের দ্বারস্থ হলেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। এক্ষেত্রে একেবারে পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের নামও সাংবাদিক বৈঠকে করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “STFএর জাভেদ শামিম, IB-র বিনীত গোয়েল, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের বিজেপি নেতাদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করছে, আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্য প্রমাণ রয়েছে।” শুভেন্দুর দাবি, CID, STF, IB, ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিতে নির্বাচন কমিশনকে হস্তক্ষেপ করতে হবে।
শুভেন্দুর দাবি, কমিশনের তরফ থেকে অর্ডার দেওয়া হচ্ছে, কিছুক্ষেত্রে তা কার্যকর করা হচ্ছে না। এই বিষয়টি তিনি কমিশনের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, “ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভর্মা কীভাবে সব রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন, সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতাদের এখনও আগের মতন সুবিধা করে দিচ্ছেন।” পাশাপাশি, শুভেন্দু জঙ্গিপুরের এসপি মেহেদি হাসান, পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পলাশ ঢালিও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর দাবি, মমতার দুটো বক্তব্যের ক্লিপ ও ভাষণের পেনড্রাইভ জমা দিয়ে এসেছেন তাঁরা। শুভেন্দুর বক্তব্য, “এক জায়গায় ভাষণে তিনি বলছেন, কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী বা ভোটের কাজে নিযুক্ত নিরাপত্তাবাহিনীদের বিরুদ্ধে মহিলাদের লেলিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। মমতা বলেছেন, আপনারাই হাতা খুন্তি নিয়ে বেরিয়ে এসে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। এভাবে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর তিনি আক্রমণ করেছেন।”
দ্বিতীয়ত, শুভেন্দু বলেন, “মমতা বলেছেন বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না।” শুভেন্দুর অভিযোগ, “এভাবে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সরসারি খুনের হুমকি দিচ্ছেন এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে।”
উল্লেখ্য, গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত উঁচু করিয়ে মমতা বলেন, “আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না।”
এই নিয়ে সোমবারই সুকান্ত মজুমদার, দিল্লিতে নির্বাচন সদরে নালিশ করে এসেছেন। মমতাকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়ে এসেছে বিজেপি। শুভেন্দুর দাবি, ” আমরা বিগত দিনে দেখেছি, রাহুল সিনহা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সকলের বক্তব্যের মিস কোট করে তৃণমূল অভিযোগ করলেই কাউকে ৩ দিন, ২ দিন ১ দিন নির্বাচন প্রচারে ব্যান করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন করা হবে না? মনোজ আগরওয়ালের কাছে দাবিপত্র রেখেছি।”
