RSS ঘুরে ABVP-র গুরু দায়িত্ব থেকে তিরিশেই MLA, সম্ভাব্য মন্ত্রিত্বের দৌড়ে প্রাক্তন ছাত্রনেতা
Karandighi BJP MLA: ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা বিরাজ এর আগে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন। সামলেছেন সর্বভারতীয় সম্পাদকের দায়িত্বও। এবার তাঁকে সামনে রেখেই করণদিঘীতে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিল পদ্ম ব্রিগেড।

কলকাতা: কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী, কে পাবেন কোন মন্ত্রকের দায়িত্ব, তা নিয়ে চাপানউতোর কম হচ্ছে না। সূত্রের খবর, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা থেকে অভিজ্ঞ বিধায়ক, পুরনো মুখ থেকে প্রথমবারের বিধায়ক (BJP MLA) হয়েছেন, এমন অনেক মুখকেই দেখা যেতে পারে ক্য়াবিনেটে। এরইমধ্য়ে একাধিক নতুন মুখ নিয়ে চর্চা কম হচ্ছে না। শোনা যাচ্ছে এবার সব জেলাতেই কোনও না কোনও বিধায়ক মন্ত্রিত্বের স্বাদ পেতে পারেন।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণবঙ্গ তো বটেই বিজেপির চোখ ধাঁধানো ফল হয়েছে উত্তরবঙ্গেও। এবার উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকে বিজেপির চারজন বিধায়ক জিতে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস। তিনি এবারের অন্যতম কনিষ্ঠ বিধায়কও বটে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, নতুন মন্ত্রীদের নিয়ে চর্চার মাঝেই উঠে আসছে বিরাজের নাম। কোন দফতর পেতে পারেন তা নিয়েও পুরোদমে চলছে আলোচনা।
৩১ বছরের বিরাজ পড়াশোনা করেছেন আইন নিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টে প্রাকটিসও করছেন। ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা বিরাজ এর আগে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন। সামলেছেন সর্বভারতীয় সম্পাদকের দায়িত্বও। এবার তাঁকে সামনে রেখেই করণদিঘিতে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিল পদ্ম ব্রিগেড। এসেছে প্রত্যাশিত জয়। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির হেভিওয়েট নেতা গৌতম পাল প্রায় কুড়ি হাজার ভোটে হেরে যান বিরাজের কাছে। বিরাজ যদিও টিভি৯ বাংলাকে বলছেন জয়ের বিশ্বাসী তিনি আত্মবিশ্বাসীই ছিলেন। তাঁর কথায়, “লড়াইটা ছিল একজন মাফিয়ার বিরুদ্ধে। লড়াইটা একটু কঠিন থাকলেও জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।” বিরাজ যুক্ত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সঙ্গেও। মন্ত্রিত্বের প্রসঙ্গ উঠতেই বললেন, “আমাদের কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। এখন পার্টি যেটা বেটার মনে করবে সেটাই করবে। মানুষের জন্য শুধু কাজ করতে চাই।”
