Panchayat Election 2023: কমিশনের অফিসে বাহিনী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, বেরিয়ে কী বললেন রাজীব সিনহা

Aritra Ghosh | Edited By: Soumya Saha

Jun 30, 2023 | 9:15 PM

Rajiva Sinha: বিকেলের বৈঠক শেষে বেরনোর সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, ৩৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে যে কোম্পানিগুলি এখনও আসা বাকি রয়েছে, সেগুলিও চলে আসবে। এখনও পর্যন্ত ৬৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছে পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনার জন্য।

Panchayat Election 2023: কমিশনের অফিসে বাহিনী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, বেরিয়ে কী বললেন রাজীব সিনহা
রাজীব সিনহা
Image Credit source: TV9 Bangla

Follow Us

কলকাতা: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) আগে শুক্রবার ফের একবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (State Election Commission) অফিসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা (Rajiva Sinha)। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে যে জট তৈরি হয়ে রয়েছে, সেই সব নিয়ে আলোচনা হয়। এর পাশাপাশি রাজ্যের তরফে কত পুলিশ দেওয়া যাবে, সেই বিষয়টি নিয়েও কথা হয় আজকের বৈঠকে। বিকেলের বৈঠক শেষে বেরনোর সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, ৩৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে যে কোম্পানিগুলি এখনও আসা বাকি রয়েছে, সেগুলিও চলে আসবে। এখনও পর্যন্ত ৬৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছে পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনার জন্য।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, যে কেন্দ্রীয় বাহিনী ইতিমধ্য়েই পৌঁছে গিয়েছে, তাদের মধ্যে কোঅর্ডিনেশনও ঠিকঠাক রয়েছে। সেক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়নি। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলাগুলিতে ৬৫ হাজার পুলিশ রয়েছে, সেই পুলিশ বাহিনীও ধীরে ধীরে মোতায়ন করা হবে বলে জানালেন তিনি। এছাড়া বেশ কিছু কোম্পানি স্টেট স্পেশালাইজড ফোর্সও রাজ্য দিচ্ছে বলে জানান রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।

উল্লেখ্য, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে মোট ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ৩৩৭ কোম্পানির জন্যই অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বাকি বাহিনী নিয়ে জট রয়েই গিয়েছে। এমন অবস্থায় রাজ্যের সব বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যাবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল বিভিন্ন মহলে। আজ কমিশনের অফিস থেকে রাজীব সিনহা বেরনোর সময়, তাঁকেও এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। যদিও এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে চাননি তিনি। ফলে সেই নিয়ে একটা ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ক্ষেত্রেই বা কী হবে, সেটাও এখনও অস্পষ্ট।

Next Article