
ভরা রাজসভায় শয়ে শয়ে লোকের সামনে তাঁকে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করেছিল নিজেরই দেওররা! সেদিন সে সম্পূর্ণ রূপে বিবস্ত্র হয়তো হয়নি কিন্তু তাঁর সম্মান? তাঁর স্বাধীনতা? সেই সব কিছুকে এক লহমায় ধুলিসাৎ করে দিয়েছিল তাঁর পাঁচ স্বামী। দ্রৌপদীকে নারী নয় ভোগ্যপণ্য হিসাবে দেখেছিল কৌরবরা। নারী তো কেবল ভোগের বস্তু, তাই তাঁর উপরে নিজের অধিকার কায়েম করতে, নিজের পুরুষত্বের অহংকার প্রকাশ করতে, বাহুবলের আস্ফালন, যৌন লালসার নিবারণ করতে করতে পাশবিক আনন্দে মেতে উঠেছিল দুই ভাই দুর্যোধন এবং দুঃশাসন। আজ থেকে ৪০০০ বছর আগে মহাভারতে যে কথা লেখা হয়েছিল শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়েও সেই চিত্রটা বদলালো কই? আজও প্রতি পদে সেই একই ভাবে হেনস্থা হতে হয় মহিলাদের। প্রমাণ ‘তিলোত্তমা’ কাণ্ড। ঘটনার ২৬ দিন পরেও যেন ‘বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে’! কারা এমন নৃসংশ কাজ করেছে তিলোত্তমার সঙ্গে? কে কেড়েছে তাঁর প্রাণ?—এই প্রশ্নের...