কারি পাতার মধ্যে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, আয়রন এবং একাধিক অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান রয়েছে যা ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সহায়ক।
কারি পাতার মধ্যে হিলিং উপাদান রয়েছে যা ত্বকের একাধিক সমস্যার সমাধান করতে সহায়ক। কারি পাতা পোড়ার জ্বলন, র্যাশ, পোকামাকড়ের কামড়ে হওয়া সংক্রমণ থেকে রেহাই দিতে সক্ষম।
কারি পাতা ত্বকের মুক্ত র্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করে এবং ত্বকের বার্ধক্যকে প্রতিরোধ করে। বিশেষত কারি পাতার ফেস প্যাক ত্বকের ওপর প্রয়োগ করলে দূর হয়ে যাবে বলিরেখা।
যেহেতু কারি পাতার মধ্যে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান রয়েছে তাই এটি ব্রণর ক্ষেত্রেও সহায়ক। কারি পাতার ফেস প্যাক ব্রণর সমস্যাও দূর করতে পারে।
বয়সের আগেই অনেকের চুল সাদা হয়ে যায়। এর পিছনে মূলত অনিয়মিত জীবনধারা, খাদ্যাভাস এবং দূষণ দায়ী। কিন্তু এই সমস্যা থেকে রেহাই দিতে কারি পাতা সহায়ক। কারি পাতার তেল বানিয়ে চুলের ওপর প্রয়োগ করলেই দূর হয়ে যাবে সাদা চুলের সমস্যাও।
এমনকি এই কারি পাতার তেল আপনার রুক্ষ, শুষ্ক চুলে প্রাণ এনে দিতে পারে। চুলকে দূষণ ও ক্ষতির হাত থেকে পুনর্জীবিত করতে ব্যবহার করুন কারি পাতার তেল।