
চারিদিকে বাড়ছে শত্রু। চিন-পাকিস্তানের চোখ রাঙানির সঙ্গে বছর শেষে যোগ হয়েছে বাংলাদেশের আস্ফালনও। এই পরিস্থিতিতে বেড়েছে দেশে অনুপ্রবেশ।

বেআইনি কাজ রুখতে একদিকে যেমন সীমান্তে নজরদারি বেড়েছে, তেমনই ভারতীয় সেনাও নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছে।

প্রতিরক্ষা খাতেও আত্মনির্ভরতার পথেই হেঁটেছে ভারত। একাধিক দেশের সঙ্গে সামরিক চুক্তি যেমন হয়েছে, তেমনই দেশীয় প্রযুক্তিতেও অস্ত্র-শস্ত্র উৎপাদন করা হচ্ছে।

আধুনিক যুগে অত্য়াধুনিক অস্ত্র যোগ হয়েছে ভারতীয় সেনার ভাণ্ডারে। যেমন ২০২৪ সালে নৌসেনায় সংযোজন হয়েছে আইএনএস আরিঘাতের, যা হল অ্যাডভান্সড নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। পাশাপাশি আইএনএস তুশিল, আইএনএস সন্ধ্যায়ক ও আইএনএস নির্দেশক যোগ হয়েছে। জলপথে শত্রুদের ধ্বংস করতে এসেছে আইএনএস সুরাত।

বায়ুসেনারও ডানা শক্ত হয়েছে ২০২৪-এ। লাইট কমব্যাট হোলিকপ্টার যেমন বায়ুসেনার শক্তি বাড়িয়েছে, তেমনই শীঘ্রই সেনার হাতে আসছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস এমকে-১এ ফাইটা এয়ারক্রাফ্ট।

সেনা বাহিনীতে যোগ হয়েছে ৫৫০ এএসএমআই ইউনিট। আকাশতীর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও যোগ করা হয়েছে সেনাবাহিনীতে মাল্টিপল সেন্সর ইনপুটের জন্য। এছাড়া সিরিন হেক্সাড্রোনও সেনার ক্ষমতা বাড়িয়েছে।

আকাশ ও জলপথে নজরদারি বাড়াতে ভারত আরও মজবুত করতে চলেছে ড্রোন প্রযুক্তি। ২০২৪ সালেই আমেরিকার সঙ্গে ৩১টি এমকিউ-বি স্কাই/সি গার্ডিয়ান ড্রোনের চুক্তি হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই ড্রোন ভারতীয় সেনার হাতে চলে আসবে।