
পা ফোলা ছাড়াও কোমরের জয়েন্টে ব্যথা, তলপেটে ব্যথা, বদহজম, প্রস্রাবে সমস্যা, প্রস্রাবে রক্তপাতও কিডনির সমস্যার উপসর্গ হতে পারে। এগুলি হলে ডাক্তার দেখান

কিডনিতে পাথর হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে জল কম খাওয়া, অতিরিক্ত প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত মদ্যপান কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার অন্যতম কারণ

কিডনিতে পাথর হওয়া ঠেকানোর সেরা উপায় হল, অতিরিক্ত জল পান করা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। কিডনিতে পাথর হলে এবং সেটির আকার ছোট থাকলে ওষুধে গলানো যেতে পারে। এছাড়া কিছু ঘরোয়া টোটকাও রয়েছে

যে সব খাবারে অক্সালেট রয়েছে, সে সব খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবে না। পালং শাক, বিটরুট, আলু, ডাল, চকোলেট, চিনেবাদামের মতো খাবার খুব বেশি পরিমাণে খাবেন না।

খাবারে নুনের পরিমাণ কমান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের দিনে ৫গ্রামের বেশি নুন উচিত নয়। অত্যধিক পরিমাণে নুন খেলে কিডনির পাশাপাশি একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।

কিডনির সমস্যা থেকে প্রাণীজ প্রোটিন এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। অত্যধিক পরিমাণে প্রাণীজ প্রোটিন খেলে কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সুস্বাস্থ্যের জন্য দেহে ভিটামিন সি জরুরি। কিন্তু ভিটামিন সি-এর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে কিডনিতে পাথর জমার আশঙ্কা থাকে। সবজি, ফলের মাধ্যমে দেহে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণ করুন। ভিটামিন সি ট্যাবলেট খেলে তার ডোজ দিয়ে সচেতন থাকুন।

অত্যধিক পরিমাণে প্রক্রিয়াজাত খাবার খেলে কিডনির ক্ষতি হয়। কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। ফাস্ট ফুড খাওয়া ছেড়ে বাড়ির তৈরি খাবার খান। আর কিডনির স্বাস্থ্য ভাল রাখতে দিনে ৪ লিটার জল খান।