
নারকেল তেল- নারকেল তেল এর অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদানের জন্য পরিচিত। গর্ভাবস্থার ক্ষেত্রেও নারকেল তেল সুরক্ষিত। আপনি বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ ভাবে নারকেল তেলকে ব্যবহার করতে পারবেন। গরম জলের সঙ্গে এক চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে পান করুন কিংবা নারকেল তেলকে গরম করে শরীরে মালিশ করুন।

রসুন- সর্দি কাশির ক্ষেত্রে রসুন দারুণ সহায়ক। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদান সর্দি হওয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। গর্ভবতী মহিলারা এক খোয়া রসুন প্রতিদিন খেতে পারেন।

আদা- গর্ভাবস্থায় সর্দি কাশির হাত থেকে রেহাই দিতে সাহায্য করে আদা। গরম জলের সঙ্গে আদা, লেবুর রস ও মধু দিয়ে পান করতে পারেন। অন্যদিকে, মধু ও লেবুর রসও গর্ভাবস্থায় সর্দি কাশির হাত থেকে রেহাই দিতে সাহায্য করে।

গরম স্যুপ- গর্ভাবস্থায় সর্দি কাশি হলে গরম সবজি ও চিকেনের স্যুপ পান করতে পারেন। এর মধ্যে আদা, রসুন ও পিঁয়াজ দেবেন। এই তিনটি উপাদান সর্দি কাশির হাত থেকে রক্ষা করবে এবং সবজি শরীরের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। গরম স্যুপ পান করলে বসা সর্দিও উঠে আসবে।

স্টিম বা বাষ্প নিন- গর্ভাবস্থায় সর্দি কাশি হলে গরম ভেপার নিতে পারেন। গরম জলে লেবুর খোয়া আর দু ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল দিয়ে স্টিম নিতে পারেন। এতে অনেকটা স্বস্তি পেতে পারেন।