ঋতু পরিবর্তন হলে তার সঙ্গে জীবনধারাও পাল্টে ফেলতে হয়। শীত আসার সঙ্গে আলমারি থেকে উলের পোশাক বের করতে হয়। রোজের পাতে থাকে পালং শাক, বিট-গাজর আর ফুলকপি। একইভাবে, রূপচর্চাতেও আসে বদল।
শীতকাল মানেই শুষ্ক ত্বক, ফাটা ঠোঁট আর গোড়ালি। স্নানের আগে তেল না মাখলে, পরে ময়েশ্চারাইজার মাখতেই হয়। এমন পরিস্থিতিতে এই আবহাওয়ায় কী-কী থাকবে আপনার ড্রেসিং টেবিলে?
শীতের স্কিন কেয়ার রুটিনে সবসময় হাইড্রেশনের উপর জোর দেওয়া হয়। এমন পণ্য ব্যবহার করতে হয়, যা ত্বকে আর্দ্রতা জোগাবে। এই অবস্থায় এই ৫ প্রসাধনী আপনার স্কিন কেয়ার রুটিনের অংশ হয়ে উঠুক।
শীত হোক বা বর্ষা, নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করতে হবে। কিন্তু শীতকালের জন্য হাইড্রেটিং ক্লিনজারই সেরা। হাইড্রেটিং ক্লিনজার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট না করেই মুখ পরিষ্কার করে দেয়। হাইলুরনিক অ্যাসিড, গ্লিসারিন বা সেরামাইড রয়েছে, এমন হাইড্রেটিং ক্লিনজার বেছে নিন।
বছরভর মুখে ময়েশ্চারাইজার মাখা দরকার। কিন্তু শীতকালে যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন, তা একটু ভারী হওয়া দরকার। শিয়া বাটার, অর্গান বা জোজোবা অয়েল রয়েছে, এমন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
শুষ্ক ত্বকে মরা কোষ জমতে থাকে। এতে ত্বক নিস্তেজ দেখায়। এক্ষেত্রে মাইল্ড এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। ল্যাকটিক অ্যাসিড বা ফ্রুট এনজাইম রয়েছে, এমন এক্সফোলিয়েটর শীতকালে দুর্দান্ত কাজ করে। স্যালিসিলিক অ্যাসিডের মতো উপাদানও ব্যবহার করতে পারেন।
শীত এলেও সানস্ক্রিন মাখা ছাড়া যাবে না। হয়তো আপনি ফুলহাতা পোশাক পড়বেন, তাতেও মুখ, গলা ফাঁকা থাকবে। যে সব অংশ সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসবে, সেখানে এসপিএফ যুক্ত সানস্কিন মাখা জরুরি।
ফাটা ঠোঁটের যত্নে সঙ্গে রাখুন গ্লিসারিন ও পেট্রোলিয়াম জেলি যুক্ত লিপবাম। একইভাবে, গোড়ালিকে কোমল রাখতে ফুট ক্রিম ব্যবহার করুন। এতেই আপনি শীতকাল আরামে কাটাতে পারবেন।