
গ্রীষ্মকাল এখনও আসেনি। কিন্তু শরীরে ঘাম হচ্ছে বৈশাখ মাসের মতোই। যত দিন এগোবে, গরম বাড়বে। তার সঙ্গে বাড়বে ঘামের পরিমাণ। কীভাবে ঘাম নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করবেন? রইল সহজ টিপস।

ত্বকের দু'রকমের সোয়েট গ্ল্যান্ড বা ঘর্মগ্রন্থি রয়েছে। এক ধরনের ঘর্মগ্রন্থি রয়েছে হাতের তালু ও পায়ের চেটোতে। এখান থেকে ঘামের মাধ্যমে নুন ও জল নির্গত হয়। আরেক ধরনের সোয়েট গ্ল্যান্ড রয়েছে, আন্ডারআর্মস সহ দেহে বিভিন্ন অংশে।

অত্যধিক ঘাম কারওই ভাল লাগে না। আবার যদি ঘামের সঙ্গে দুর্গন্ধ ছাড়ে, আরও অতিষ্ঠ হয়ে যান। তবে, এসব সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়ও রয়েছে। রোজকার জীবনে মেনে চললেই ঘাম থেকে রেহাই পাবেন।

রোজ স্নানের সময় জলে পাঁচ থেকে ছয় ফোঁটা পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে দিন। এই এসেনশিয়াল অয়েল মেশানো জলে স্নান করলে সারাদিন তরতাজা থাকবেন। ঘাম কম হবে। আর ঘাম হলেও দুর্গন্ধ ছাড়বে না।

স্নানের পর আন্ডারআর্মসে অ্যান্টিপার্সপর্যান্ট প্রয়োগ করুন। অর্থাৎ, রোল অন। ডিওডোরেন্টের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর রোল অন। এটি ঘাম ও ব্যাকটেরিয়ার মাঝে একটি স্তর হিসেবে কাজ করে। এতে ঘামে দুর্গন্ধ তৈরি হয় না।

গরমকালে ভুলেও গরম জলে স্নান করবেন না। ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করলে শরীরে আরাম মেলে। কিন্তু অত্যধিক ঘাম হওয়ার প্রবণতা থাকলে, এটি সমস্যা আরও বাড়াতে পারে। ঠান্ডা জলে স্নান করলে শরীর ঠান্ডা এবং টক্সিনমুক্ত থাকে।

যত বেশি ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার খাবেন, শরীর ঘাম বেশি হবে। সেই সঙ্গে দুর্গন্ধ ছাড়বে। মশলা acetylcholine নামের নিউরোট্রান্সমিটারকে সক্রিয় করে দেয়, যা ঘর্মগ্রন্থিগুলোকে উদ্দীপিত করে। তাই এই ধরনের খাবার খেলে ঘাম বেশি হয়।

নিয়মিত অন্তর্বাস পরিবর্তন করুন। সুতির অন্তর্বাস পরুন। স্ক্যাল্পেও ঘাম হয়। এক্ষেত্রে চিরুনি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। এতে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যাবে।