
জল পান এর অন্যতম উপায়। রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। তাতে হজমশক্তি ঠিক হবে এবং মাসলের কাজও ঠিক থাকবে। শুধু তাই নয়, যাঁরা ফিটনেস ট্রেনিং করেন তাঁদের জন্য আরও বেশি কার্যকরী ভূমিকা নেবে।

খাবারে নিয়মিত মন দিন। শরীরের জন্য় প্রয়োজন ব্যালান্সড খাবার। যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কার্বস থাকবে। ফিটনেস ট্রেনিং করলে কিনোয়া, ওটসের মতো খাবারে জোর দিন। যা আপনার ট্রেনিংয়ে এনার্জি জোগাবে, দ্রুত রিকোভারিতেও সাহায্য করবে।

খাবারে অবশ্য়ই স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রাখবেন। এই উপাদান পেতে পারেন বাদাম, দানা শস্য জাতীয় খাবার, অলিভ অয়েল, মাছ থেকে।

পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম এবং ঘুম। অন্তত ৭-৯ ঘণ্টা ভালো ঘুম প্রয়োজন। যা মাসল রিকোভারিতে সাহায্য করে। খিদে বাড়াতে, স্ট্রেস কমাতে এবং মেদ ঝরাতেও সাহায্য করবে।

খাবারে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালোরি থাকে সে বিষয়ে অবশ্যি খেয়াল রাখবেন। হঠাৎ করে ক্যালোরি কমিয়ে দেবেন না। বরং ধীরে ধীরে ক্যালোরি কমানোর চেষ্টা করুন যাতে এর কারণে মাসলের ক্ষতি না হয়।

ফিটনেস ট্রেনিংয়ে অবশ্যই যোগ করুন স্ট্রেন্থ ট্রেনিং। সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ দিন স্কোয়াড, পুশ আপের মতো স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করন। যা মাসল ধরে রাখতে সাহায্য করবে এবং সার্বিক স্বাস্থ্যেও উপকারী হয়ে দাঁড়াবে।

পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন পাচ্ছেন তো? এই বিষয়ে অবশ্য়ই খেয়াল রাখবেন। প্রতি কেজি খাবারের নিরিখে অন্তত ১.২-২.২ গ্রাম প্রোটিন থাকে সেটা মাথায় রাখবেন। চর্বি ছাড়া মাংস, মাছ, ডিম, দুগ্ধজাতীয় খাবার যোগ করুন ডায়েটে।

পরিকল্পনা গড়ে কার্ডিও এক্সারসাইজও করুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন করলেই যথেষ্ট। মাসল খোয়ানোর ঝুঁকি না নিয়ে করতে হবে। নিয়মিত ভাবে হিসেবে রাখুন, সেটা ওজন মেপে হতে পারে, ছবি তুলেও। কতটা উন্নতি হচ্ছে, সেটা অবশ্যই হিসেব রাখা এবং প্রয়োজনে সেই অনুযায়ী পরিকল্পনায় পরিবর্তন জরুরি। সব ছবি: CANVA