
বাজারে যতই ভাল মানের প্রসাধনী পাওয়া যাক, ত্বকের যত্নে আজও ঘরোয়া টোটকার কদর বেশি। হলুদ, নারকেল তেল, অ্যালোভেরার মতো প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে ত্বকের যত্ন নিলে উপকারও মেলে বেশি। কিন্তু বেকিং সোডা দিয়ে কখনও ত্বকের যত্ন নেওয়ার কথা ভেবেছেন?

রান্নাঘরে একগুচ্ছ কাজ সম্পন্ন করে বেকিং সোডা। একইসঙ্গে ত্বকেরও দেখভাল করে এই উপাদানটি। ত্বককে এক্সফোলিয়েট করার পাশাপাশি ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে বেকিং সোডা।

বর্ষাকালে ত্বকে সংক্রমণের ভয় সবচেয়ে বেশি থাকে। অ্যালার্জি, চুলকানি, র্যাশের মতো নানা সমস্যার সমাধান হতে পারে বেকিং সোডা। এই উপাদানের মধ্যে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বকের সমস্যা কমায়।

বেকিং সোডা একজিমা, সোরিয়াসিস, চিকেনপক্সের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। মশার কামড়ের উপর বেকিং সোডা লাগালে চুলকানি থেকে সহজেই মুক্তি পাবেন।

বেকিং সোডা মূলত ত্বককে গভীর ভাবে পরিষ্কারে সাহায্য করে। ত্বকের উপর জমে থাকা অতিরিক্ত তেল, ময়লা, জীবাণু পরিষ্কারে বেকিং সোডা দারুণ উপকারী। এটি মৃত কোষও পরিষ্কার করে দেয়।

বর্ষাকালে র্যাশের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নারকেল তেলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ত্বকের উপর লাগান। বেকিং সোডার মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। এটি ত্বকের প্রদাহ কমাবে এবং চুলকানি থেকে মুক্তি দেবে।

স্নানের সময় বেকিং সোডা ব্যবহার করলে অ্যালার্জি, র্যাশের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এক কাপ জলে ২ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। ২০ মিনিট রেখে স্নান করে নিন। এটি ত্বকের অস্বস্তি থেকে মুক্তি দেবে।

ব্রণর সমস্যায় কার্যকর বেকিং সোডা। ব্রণর ফোলাভাব ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে বেকিং সোডা। অল্প জলের সঙ্গে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ব্রণর উপর লাগান।