
বাড়ির গিন্নির হাতযশ আর মশলাপাতির গুণেই সস্বাদু হয় বাঙালি রান্না। রোজকার রান্নায় যে সব মশলা ব্যবহার করা হয় তা যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায় তেমনই শরীরের খেয়াল রাখে। রান্নায় হিঙের ব্যবহার বহুদিনের। হিং দিলে রান্নার স্বাদও বাড়ে

মশলা হিসাবে হিংয়ের জনপ্রিয়তা উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত। আবার বাঙালি রান্নাতেও হিং-এর ব্যবহার হয়। তবে, কেবল রান্নার স্বাদ বাড়ানো নয়, শরীর ভালো রাখতেও দারুণ কার্যকরী।

ফাইবার, ক্যালশিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ হিং নানা সমস্যার মোকাবিলা করে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ডাঃ বৈশালী শুক্লা তাঁর ইনস্টা হ্যান্ডেলে এই বিষয়ে একটা পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি যা কিছু তুলে ধরেছেন .

হিং আসলে পেট ফাঁপা থেকে মুক্তি দেয়। যাঁরা প্রায়ই গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন তাদের খাবারে হিং ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

হিং প্রাকৃতিক কার্মিনিটিভ হিসেবে কাজ করে। তাই পেট ফুলে যাওয়া থেকে পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যায় মোকাবিলা করতে খুবই কার্যকর। মুখের স্বাদ ফেরাতেও সাহায্য করে

ঋতু পরিবর্তনের সময় শুকনো কাশি, গলা খুসখুস, নাক বন্ধ থাকার সমস্যা হয়। তখন নিয়মিত হিংয়ের জল খেলে ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। রক্ত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় হিং। ফলে, হৃদ্রোগের ঝুঁকিও কমে যায় সহজে

ঋতুস্রাবের সময়ে অনেক মেয়েদেরই তলপেটে অসহ্য যন্ত্রণা হয়। এই সময় হিংয়ের জল খেলে দ্রুত আরাম পাবেন। আবার মাথাব্যথা করলেও আরাম মিলবে। আর তাই বাড়িতে একটু হিং রাখতে ভুলবেন না

হিংয়ের উপকারিতা পেতে হলে হাফ চামচ হিং গরম জলে মিশিয়ে নিন। এর পর রোজ সকালে খালি পেটে পান করুন। এছাড়াও নিরামিষ তরকারিতে হিং দিলে তার স্বাদই হয় আলাদা। একই সঙ্গে বানিয়ে নিতে পারেন হিং-এর কচুরিও