Volcano Eruption: গ্রীষ্ম কাল আর থাকবে না, হবে ভয়ঙ্কর অগ্নুৎপাত; বিজ্ঞানীদের চমকে দেওয়া দাবিতে ঘুম উড়ছে দুনিয়ার

Volcano Eruption: ২০০ বছর আগে ইন্দোনেশিয়ার সেই অগ্নৎপাতে জলবায়ুর ব্যাপক ক্ষতি হয়। এর ফলে ২৪ ঘন মাইল গ্যাস, ধুলোকণা এবং শিলা নির্গত হয়।

Dec 30, 2024 | 4:08 PM

1 / 8
নতুন বছর শুরুর আগেই বড় বিপদের আশঙ্কা। বিজ্ঞানীদের ধারণা সাংঘাতিক এক অগ্নুৎপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যা পৃথিবীর জনজীবন তথা প্রাণীকুলের উপরে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। জেনেভিয়া ইউনিভার্সিটির জলবায়ু বিষয়ক অধ্যাপক মার্কাস স্টফেলের ভবিষদ্বাণী শুনে এখন প্রমাদ গুনছেন অনেকেই।

নতুন বছর শুরুর আগেই বড় বিপদের আশঙ্কা। বিজ্ঞানীদের ধারণা সাংঘাতিক এক অগ্নুৎপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যা পৃথিবীর জনজীবন তথা প্রাণীকুলের উপরে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। জেনেভিয়া ইউনিভার্সিটির জলবায়ু বিষয়ক অধ্যাপক মার্কাস স্টফেলের ভবিষদ্বাণী শুনে এখন প্রমাদ গুনছেন অনেকেই।

2 / 8

প্রসঙ্গত, ২০০ বছর আগে ১৮১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট তামবোরা আগ্নেয়গিরি থেকে ভয়ঙ্কর অগ্নুৎপাত হয়েছিল। সেই অগ্নুৎপাতের প্রভাব এতটাই বেশি ছিল যে ওলট পালট হয়েছিল ওই অঞ্চলের জলবায়ু। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়। মার্কাসের দাবি এইবারের অগ্নুৎপাত ছাপিয়ে যেতে পারে সেই সব ভয়াবহতাকেও। এমন ধ্বংসলীলা চলতে পারে যা গত ২০০ বছরে কেউ দেখেনি।

3 / 8

২০০ বছর আগে ইন্দোনেশিয়ার সেই অগ্নৎপাতে জলবায়ুর ব্যাপক ক্ষতি হয়। এর ফলে ২৪ ঘন মাইল গ্যাস, ধুলোকণা এবং শিলা নির্গত হয়। এমনকি দূষণ এতটাই বেড়ে যায় যে, সুর্যের আলো ভূমি স্পর্শ করতে পারেনি, ফলে তাপমাত্রাও হ্রাস পায়। উত্তর গোলার্ধে অস্বাভাবিক ভাবে হ্রাস পায় তাপমাত্রা। বৈজ্ঞানিকদের দাবি এই বারে অগ্নুৎপাতের ভয়াবহতা এতটাই হতে পারে যে, তার প্রভাবে গ্রীষ্মহীন বছর দেখতে হতে পারে।

4 / 8

বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন আজকাল বিজ্ঞান অনেক উন্নত। অনেক উন্নত যন্ত্রপাতি এসেছে, তবে তার পরেও ঠিক কবে কোথায় ভূমিকম্প হবে তা আগাম বলা সম্ভব নয়। তেমনই অগ্ন্যুৎপাত কবে, কখন, কোথায় হবে তা বলা সম্ভব নয়।

5 / 8

মার্কাস বলেন, " এই বিষয়ে মানুষের এখনও অবধি কোনও পরিকল্পনা নেই। এখন সমগ্র বিশ্ব অস্থির। আমরা ১৮১৫ সালে যা দেখেছিলাম, এই বারে প্রভাব তার চেয়েও অনেক গুণ বেশি খারাপ হতে পারে।"

6 / 8

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, জলবায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তন আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে বরফের চাঁই গলে যাওয়ায় ম্যাগমা চেম্বারগুলির উপর চাপ কমে যেতে পারে, ফলে ঘন ঘন অগ্ন্যুৎপাত হতে পারে। তার উপর তীব্র বৃষ্টিপাত, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কিছু পদার্থ ভূগর্ভে প্রবেশ করে ম্যাগমার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপকে ট্রিগার করে দিতে পারে।

7 / 8

সম্প্রতি হাওয়াইয়ে বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি কিলাউয়া আগ্নেয়গিরি থেকে আবার অগ্ন্যুৎপাত হয়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন প্রায় ৮০ মিটার বা ২৬০ ফুট অবধি উচ্চতায় ছড়িয়ে পড়ে লাভা।

8 / 8

এই অগ্নুৎপাতের পরেই নতুন করে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিজ্ঞানীরা। মার্কাস জানান এই ধরনের সাংঘাতিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত হওয়া উচিত। সেই হিসাবেই আগামী দিনে নীতি নির্ধারকদের পদক্ষেপ করা উচিত।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us