বসন্ত মানেই মনে প্রেমের আমেজ। এই সময় চারিদিক থাকে রঙিন। গাছে গাছে রঙিন পাতা, রঙিন ফুল। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে চারিদিকে। রাত পোহালেই বাঙালির দোল। আবিরে-রঙে মানুষ বরণ করবেন রঙিনকে। এই বসন্তেই বাড়ে রোগ জীবাণুর প্রকোপ। আর তাই তাকে ঠেকিয়ে রাখাও নিতান্ত জরুরি।
দোল পূর্ণিমা বাঙালির জীবনে খুবই শুভ। হোলিকা দহনের মাধ্যমে অশুভকে বিদায় দিয়ে সুসময়ের আবাহন করা হয়। যা কিছু খারাপ ছিল সব বিসর্জন দিয়ে নতুন করে শুরু করার পালা। জীবনের উপর বাস্তুর প্রভাব রয়েছে। ভাল-মন্দ অনেক কিছুই নির্ভর করে এই বাস্তুর উপরেই।
করোনা পরবর্তী সময়ে ঘরে ঘরে ইন্ডোর প্ল্যান্টের চাহিদা বেড়েছে। সুসময় ফেরাতে এবং বাস্তুদোষ কাটাতে বাড়িতে আনুন বাঁশ গাছ। বাস্তুশাস্ত্রে এই বাঁশগাছকে খুবই শুভ মনে করা হয়। বাঁশ গাছ এক কোণায় রাখলে ঘরের শোভা বাড়ে।
বলা হয় বাড়িতে বাঁশ গাছ থাকলে যাবতীয় নেগেটিভ শক্তি বাড়ি থেকে দূর হয়ে যায়। পরিবারের সব সদস্যদের মধ্যেও সদ্ভাব বজায় থাকে। আর এই বাঁশ গাছ কিন্তু সৌভাগ্যর প্রতীক। এই গাছ বাড়িতে থাকলে ভালবাসা বাড়ে।
বাড়ি সাজাতে অনেকেই অ্যাকোয়ারিয়াম রাখেন। তবে এই অ্যাকোয়ারিয়াম একদম ঠিক জায়গায় রাখতে হবে। সবচেয়ে ভাল যদি বাড়ির উত্তর বা উত্তর-পূর্বদিকে রাখা যায়। তাহলে নিজের ও পরিবারের সব সদস্যদের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে। সেই সঙ্গে সমৃদ্ধি আর উন্নতিও হয়।
দোলের আগে বাড়িতে আনতে পারেন ক্রিস্টাল কচ্ছপ। এতে সারা বছর সুখ শান্তি বজায় থাকে জীবনে। সেই সঙ্গে আর্থিক দিক থেকেও ফুলে ফেঁপে উঠবে জীবন।