
মাঠে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়েছিল দুর্দান্ত স্টাইলে। নানা পেপার-কাটিং। বিরাটের পোস্টার। অস্ট্রেলিয়ায় একটা যেন অলিখিত নিয়ম রয়েছে। সাফল্য পেলে প্রতিপক্ষকেও রাজার আসনে বসানো হয়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ধারাবাহিক সফল বিরাট কোহলি। তাঁকে রাজার মতোই স্বাগত জানানো হয়েছিল। একটা দুর্দান্ত স্ট্রেট ড্রাইভও মেরেছিলেন। মনে হচ্ছিল, সমস্ত হতাশার অবসান যেন এই স্ট্রেট ড্রাইভেই। বাউন্ডারি না হলেও সেই ড্রাইভে আত্মবিশ্বাস ছিল। সে সময়ই কমেন্টেটর কার্স!
অনেক সময়ই দেখা যায়, ধারাভাষ্যকাররা কোনও প্লেয়ার সম্পর্কে ইতিবাচক কথা বলতে শুরু করেন, আর তখনই দুর্ঘটনা। বিরাটের স্ট্রেট ড্রাইভ দেখে তেমনই শুরু হয়েছিল। সিরিজ শুরুর আগে থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে বিরাট কোহলি। অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর রেকর্ড বরাবরই ভালো। এ বারও অস্ট্রেলিয়ায় ঘুরে দাঁড়াবেন, এই প্রত্যাশা করছিলেন ক্রিকেট প্রেমীরা। ধারাভাষ্যকাররা একটি প্রসঙ্গ তুলে ধরেন, বিরাটকে যদি শর্ট পিচ ডেলিভারি দেওয়া হয়?
যেমন বলা তেমনই কাজ। আইপিএলে বিরাটের সতীর্থ হিসেবে খেলেছেন জশ হ্যাজলউড। পরস্পরকে চেনা। জশ শর্ট পিচ দিলেন। অফস্টাম্পের সামান্য বাইরে। হঠাৎ বাউন্সারে চমকে যান কোহলিও। সুইং কাট করতে সাধারণত পপিং ক্রিজ থেকে কিছুটা এগিয়ে থাকেন বিরাট কোহলি। শর্ট-পিচই বাউন্সার হয়ে দাঁড়াল। ব্যাটে লেগে স্লিপ কর্ডনে উসমান খোয়াজার হাতে। মাঠে অজি ক্রিকেটারদের বিরাট উচ্ছ্বাস, কিন্তু গ্যালারিতে হতাশা। ১২ বলে ৫ রানেই শেষ বিরাট কোহলির ইনিংস।