
এ বারের আইপিএল শুরুর আগে হঠাৎই আশঙ্কার মেঘ দেখা দিয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস শিবিরে। জাতীয় দলে খেলার সময় স্ট্রেচারে মাঠ ছেড়েছিলেন বাংলাদেশের বাঁ হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। এ বারই তাঁকে মিনি অকশনে নিয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তেমনই অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল একই সিরিজে চোট পেয়েছিলেন সিএসকের মালিঙ্গা মাতিসা পাথিরানা। শ্রীলঙ্কার এই পেসারকেও শুরুর দিকে পাওয়া যাবে না বলে আশঙ্কা ছিল। শেষ অবধি অবশ্য স্বস্তি ফিরেছিল। প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলছেন মুস্তাফিজুর। দ্বিতীয় ম্যাচে ফিরেছিলেন মাতিসা পাথিরানা।
প্রতি আইপিএলেই চোখ ধাঁধানো কিছু ক্যাচ দেখা যায়। এ বারের আইপিএলও তাঁর অন্যথা নয়। এখনও অবধি মরসুমের সেরা ক্যাচের প্রসঙ্গ উঠলে মহেন্দ্র সিং ধোনির কথাই মনে পড়ে। ঘরের মাঠে গত ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে খেলেছিল চেন্নাই। সেই ম্যাচে ড্যারেল মিচেলের বোলিংয়ে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে দুরন্ত রিফ্লেক্সে ক্যাচ নিয়েছিলেন ৪২-এর মহেন্দ্র সিং ধোনি। দিল্লির বিরুদ্ধে যেন সেই ক্যাচকেও চ্যালেঞ্জ করলেন মাতিসা পাথিরানা।
দিল্লি ক্যাপিটালসে দুর্দান্ত স্টার্ট দিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও পৃথ্বী শ। বিশেষ করে বলতে হয় ওয়ার্নারের কথা। দুর্দান্ত ইনিংসে সিএসকে শিবিরে ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছিলেন ওয়ার্নার। ৩৫ বলে ৫২ রানে স্পেশাল ক্যাচে ওয়ার্নারের ইনিংসের ইতি।
মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিংয়ে সুইচ হিটে শর্ট থার্ডম্যানের উপর দিয়ে শট খেলতে চেয়েছিলেন ওয়ার্নার। ব্যাটে বলে সংযোগও হয় ঠিকঠাক। বাউন্ডারি যেন সময়ের অপেক্ষা। এমন সময় ছো মেরে ক্যাচ মাতিসা পাথিরানার। ভিডিয়ো না দেখলে এই ক্যাচের গুরুত্ব বোঝা কঠিন।