
কলকাতা: এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) অপরাজিত, অপ্রতিরোধ্য দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)। আফগানিস্তানের (Afghanistan) রূপকথা শেষ করে বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছল দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে প্রোটিয়ারা ২০০৯ ও ২০১৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে খেলেছিল। কিন্তু ফাইনালের টিকিট একবারও পায়নি। এ বার বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের পথে আরও একধাপ এগোল দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তই কি কাল হল আফগানদের জন্য? ক্রিকেট মহলে অনেকেই তেমনটা বলছেন।
টানা ৭ ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য ছিল প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠা। আফগানিস্তানকে হারিয়ে সেই লক্ষ্যপূরণ করেছে প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাটিং করে ৫৬ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান। ফলে এক্কেবারে অল্প, ৫৭ রানের টার্গেট ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার।
আফগানিস্তানের টপ অর্ডার সেমিফাইনালে পুরোপুরি ব্যর্থ। প্রথম ওভারের শেষ বলে মার্কো জ্যানসেন শূন্যে ফেরান ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজকে। তৃতীয় ওভারে গুলবদিন নায়েবকে (৯) ফেরান সেই জ্যানসেন। এরপর চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে ইব্রাহিম জাদরানকে (২) ফেরান কাগিসো রাবাডা। একই ওভারের চতুর্থ বলে মহম্মদ নবিকে শূন্যে ফেরান রাবাডা। পাওয়ার প্লে-র মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানরা। রশিদ খানের টিমের হয়ে সর্বাধিক রান অজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের (১০)। প্রোটিয়াদের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মার্কো জ্যানসেন ও তাবরাইজ শামসি। আর ২টি করে উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা ও অনরিখ নর্টজে।
৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে হয়তো ১০ উইকেটেই জেতা হত দক্ষিণ আফ্রিকার। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারে ফজলহক ফারুকি ফেরান কুইন্টন ডি’কককে (৫)। এরপর প্রোটিয়াদের হয়ে ম্যাচ জেতানোর কাজ করেন রিজা হেনড্রিক্স (২৯*) ও ক্যাপ্টেন এইডেন মার্কব়্যাম (২৩*)। ৮.৫ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬৭ বল বাকি থাকতেই ১ উইকেটে ৬০ রান তোলে প্রোটিয়ারা। যার ফলে ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে প্রথম বার টুর্নামেন্টের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা।