
সুপার এইটের ম্যাচে অক্ষর প্যাটেলের ক্যাচটা মনে পড়ে? বাউন্ডারি লাইন থেকে কিছুটা সামনে। হঠাৎ একটা শট। দেখে মনে হচ্ছিল নিশ্চিত ছয়। এরপর যা হল, খালি চোখে দেখে যেন বিশ্বাসই করা যাবে না। লাফিয়ে উঠলেন অক্ষর প্যাটেল। ঠিক যেমন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো লাফিয়ে হেড করেন! অক্ষরও সে ভাবেই লাফিয়ে এক হাতে নিলেন ক্যাচ। তাও আবার ডান হাতে! কুলদীপের বোলিংয়ে মিচেল মার্শের সেই ক্যাচে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়েছিলেন অক্ষর প্যাটেল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও একই কাজ করছেন। এ বার বল হাতেও।
রোহিত শর্মা, সূর্যকুমার যাদবের অনবদ্য ব্যাটিং। শেষ দিকে হার্দিকের বিধ্বংসী ব্যাটিং। জাডেজা-অক্ষরের ছোট্ট অথচ গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ২০ ওভারে ১৭১ রান তোলে ভারত। ইংল্যান্ডের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে এই রান সুরক্ষিত নয়। তবে বল করতে এলেই যদি উইকেট দিয়ে ওভার শুরু করেন কোনও বোলার! ফাইনালের স্বপ্ন দেখাই যায়। ভারতীয় শিবির সেই স্বপ্নই দেখছে। গুজরাটের প্লেয়ারদের যে বাপু নামে ডাকা হয় ভারতীয় দলে, অনেকেরই জানা। অক্ষর প্যাটেলও তেমনই একজন।
বোর্ডে ১৭১ রানের পুঁজি। সামনে বিধ্বংসী বাটলার। চতুর্থ ওভারেই অক্ষর প্যাটেলকে আক্রমণে আনেন রোহিত শর্মা। প্রথম বলেই রিভার্স সুইপ মারার চেষ্টা বাটলারের। গ্লাভসে লেগে কিছুটা ওঠে বল। ঋষভের সহজ ক্যাচ। পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারও শুরু করেন জনি বেয়ারস্টোর উইকেট দিয়ে।
টানা স্পেলের তৃতীয় ওভারের শুরু মইন আলির উইকেট দিয়ে। অক্ষরের জোড়া উইকেট এবং বুমরার দাপটে পাওয়ার প্লে-তেই তিন উইকেট নেয় ভারত। প্রথম স্পেলে ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট। ম্যাচের মোর ঘোরা শুরু এখান থেকেই।