গুয়াহাটি : বড় দিনের আগে হতাশার রাত এটিকে মোহনবাগানের। চার ম্যাচ অপরাজিত ছিল তারা। লক্ষ্য ছিল লাস্ট বয় নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে জয় এবং তিন পয়েন্ট নিয়ে ফেরা। পরিসংখ্য়ান এ ভাবে বদলে যাবে, তা হয়তো কল্পনা করেনি এটিকে মোহনবাগান। অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নেমেছিল মবুজ মেরুন। প্রতিপক্ষ নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড আইএসএলের এ মরসুমে প্রথম ১০ ম্যাচে জয়ের মুখ দেখা তো দূর অস্ত, কোনও পয়েন্টই পায়নি। পয়েন্ট টেবলে একেবারে শেষে নর্থ ইস্ট। অন্য দিকে, এই ম্যাচের আগে টেবলে তিন নম্বরে সবুজ মেরুন। তারপরই অঘটন। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড বনাম এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ রিপোর্ট TV9Bangla-য়।
জয়ের স্বাদ কেমন হয়! নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড যেন সেটাই ভুলতে বসেছিল। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে এ মরসুমে এর আগে ১০টি ম্যাচ খেলেছে তারা। ৮টি গোল করলেও কোনও ম্যাচে জয় আসেনি। এমনকি ড্র করেও মাঠ ছাড়তে পারেনি। ঘরে-বাইরে ১০টি হার। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধেও এমনই একটা ফলের প্রত্যাশা ছিল। সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল। সবুজ মেরুনের আক্রমণ সামলাতে কঠিন লড়াই সামনে পড়তে হয়েছে নর্থ ইস্টকে। একের পর এক সেভ করেছেন তাদের গোলরক্ষক মির্শাদ মিচু। একপেশে একটা ম্যাচ হবে, এমনটাই ভেবেছিল অনেকে। কিন্তু এ যেন উলাটপূরাণ।
নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ১ (জর্ডন গিল)
এটিকে মোহনবাগান ০
একটা সেন্টার, মোহনবাগান ডিফেন্সের ভুল, জয়ের দরজা খুলল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে এমিল বেনির সেন্টার। পুরোপুরি আনমার্কড জর্ডন গিল। অনেক লাফিয়ে জোরালো হেড। সবুজ মেরুন গোলরক্ষক বিশাল কেইথ কোনও সুযোগই পেলেন না তা আটকানোর। ৬৯ মিনিটে এগিয়ে গেলেও নর্থ ইস্ট তা ধরে রাখতে পারবে কী না, সেটাই প্রশ্ন ছিল। মোহনবাগান আক্রমণ বাড়ালেও নর্থ ইস্ট খুব ভালো ডিফেন্স করেছে। বরং কাউন্টার অ্যাটাকে নর্থ ইস্টের দ্বিতীয় গোলেরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। ইনজুরি টাইমে এমিল বেনির দূরপাল্লার শট অনবদ্য সেভ বিশাল কেইথের। না হলে ২ গোলে হারের লজ্জা নিয়ে ফিরতে হত।