রুপোর মেয়ে মীরাবাই চানু (Mirabai Chanu) দেশে ফিরে আসতেই শোনা গিয়েছিল, তাঁর পদকের রং বদলে যেতে পারে। টোকিও অলিম্পিকে (Tokyo Olympics) মেয়েদের ৪৯ কেজি ভারোত্তলন বিভাগে সোনাজয়ী হাউ ঝিউইয়ের (Zhihui Hou) অ্যান্টি ডোপিং পরীক্ষা (anti-doping test) হতে পারে, এমনটাই জানা গিয়েছিল। তবে ইতিমধ্যে জানা গেছে, টোকিওয় সোনাজয়ী ভারোত্তলক ঝিউইকে কোনও রকম অ্যান্টি ডোপিং পরীক্ষা দিতে হবে না। ফলে বদলালো না চানুর পদকের রং।
টোকিও গেমসের দ্বিতীয় দিনই ভারতকে প্রথম পদক এনে দেন মনিপুরের মেয়ে মীরাবাই চানু। মেয়েদের ৪৯ কেজি ভারোত্তলন বিভাগে ২০২ কেজি ওজন তুলে রুপো অর্জন করেন চানু। ২১০ কেজি ওজন তুলে সোনা জেতেন চিনের হাউ ঝিহুই। ১৯৪ কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন ইন্দোনেশিয়ার কেন্টিকা আয়েশা। কিন্তু চানুর পদক পাওয়ার দু’দিন পরই শোনা গিয়েছিল, সেই রুপো বদলে যেতে পারে সোনায়। তবে কোথায় কি! ভারতবাসীরা অনেকেই চানুর পদকের আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিনের ঝিউইয়ের কাছেই রইলো সোনা।
২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকে মেয়েদের ভারোত্তলনে কর্ণম মালেশ্বরী ব্রোঞ্জে পেয়েছিলেন। তার ঠিক ২১ বছর ভারতকে রুপো এনে দিলেন চানু। দীর্ঘ ২১ বছর পর ফের ভারোত্তলন থেকে ভারতের সাফল্য। ভবিষ্যৎে এই ইভেন্ট থেকে ভারত আরও বেশি সাফল্যও আশা করতেই পারে।
অলিম্পিকের আরও খবর পড়তে ক্লিক করুনঃ টোকিও অলিম্পিক ২০২০