দুয়ারে দুয়ারে ত্রাণ, সাইকেলে সুন্দরবন

দু’চাকা অবশ্য অলিতে-গলিতে কাদা পথ পেরিয়ে পৌঁছে যেতে পারে গন্তব্যে। সেই লুকিয়ে থাকা মুখগুলো একটু হাসি ফোটানোর জন্য রাজ-পাপাই-মলয়দের টিম দু’চাকাতেই ভরসা রেখেছে।

গাড়ির তেলের যা দাম! তাই-ই সাইকেলই সাশ্রয়। বাঁচানো টাকায় আরও খাবার জামা হয়। তাছাড়া একেবারে জলে-কাদায় সাইকেল নো ফেল। তাই উল্টোডাঙ্গা নিউ আমরা সবাই নামের ছোট্ট ক্লাবের দশ সদস্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এই বাহনকেই বেছে নিয়েছেন। ৩ মে বিশ্ব সাইকেল দিবসে রওনা দিয়েছেন সুন্দরবনের দিকে।
জুনের তিন তারিখ। সাইকেল দিবস। সেদিন সন্ধে। উল্টোডাঙা নিউ আমরা সবাই ক্লাবের সবাই সাইকেলের ক্যারিয়ারে বাতাসা, মুড়ি, চাল, ডাল, জামা-কাপড় স্যানিটারি ন্যাপকিন তুলছেন। প্রত্যেকের সাইকেলের হ্যান্ডেলের সামনে ঝোলানো বার্তা: এগিয়ে আসুন ওদের জন্য । সবাই তো গাড়ি হাঁকিয়ে যান। দু’চাকায় চড়ে উল্টোডাঙা থেকে জনা দশ যুবক রওনা দিলেন সুন্দরবনের পথে। কেন হঠাৎ সাইকেল? গাড়ি নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাওয়া সম্ভব হয় না। কাদা রাস্তা, জলের রাস্তা, সরু পথ। দু’চাকা অবশ্য অলিতে-গলিতে কাদা পথ পেরিয়ে পৌঁছে যেতে পারে গন্তব্যে। সেই লুকিয়ে থাকা মুখগুলো একটু হাসি ফোটানোর জন্য রাজ-পাপাই-মলয়দের টিম দু’চাকাতেই ভরসা রেখেছে।